যশোরের সীমান্তবর্তী পুটখালী ইউনিয়নের বিএনপি সমর্থক সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানকে মুক্তিপণ আদায়ের জন্যই অপহরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার মনিরুল ইসলাম।

ঢাকা মহানগর পুলিশের দফতরে বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘সংঘবদ্ধ অপহরনকারী চক্রের ৬ জনকে গ্রেফতার ও অপহৃতকে উদ্ধারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে অপহরনের পর তারা পরিবারের কাছে ৬০ লাখ টাকা দাবি করে। টাকা না পেলে অপহৃতকে মেরে ফেলার হুমকীও দেওয়া হয়।’

অপহরনের বর্ননা দিয়ে মনিরুল ইসলাম বলেন, ’২৭ অক্টোবর রাজধানীর কমলাপুর এলাকা থেকে পূর্ব পরিচিত জান্নাতুল ফেরদৌস জোসনার সঙ্গে ব্যবসায়িক কাজে দেখা করতে আসলে অস্ত্রের মুখে তাকে অপহরন করা হয়।

জোসনা কৌশলে তাকে কমলাপুরে নিয়ে আসে। বলে দাবি করে পুলিশ।

অপহরনের তিনদিন পর বৃহস্পতিবার ভোরে রাজধানীর মুগদা এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

হাবিব যশোরের একজন সি এন্ড এফ ব্যবসায়ী।

এ ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন আব্দুল মান্নান পলাশ (৩২), জি এম জুবায়ের আহমেদ (২২), মো. মজিবুর রহমান (৪৪), মাহবুবুর রহমান জিসান (১৭),  জান্নাতুল ফেরদৌস জোসনা (৩২) ও বৃষ্টি আক্তার (১৭)। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছ বলে পুলিশের দাবি।

তিনি বলেন, ‘এই চক্রটি এর আগেও অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করেছে। কিন্তু অপহরনের শিকার ব্যক্তিরা মুক্তি পাওয়ার পর আর পুলিশকে অবহিত করেনি। এ কারনে চক্রটিকে এর আগে গ্রেফতার করতে পারেনি।’

এই চক্রের আব্দুল মান্নান পলাশ একজন অস্ত্র ব্যবসায়ী বলেও জানান মনিরুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার শেখ নাজমুল আলম, মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমান।

জেইউ/এএইচ