ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পূর্ববিরোধের জের ধরে দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনায় ২৩ জনকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এমরান হোসেন। রোববার রাতে আটককৃত ২৩ জনকে সাজা দেয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের পারভেজ ও কালীকচ্চ গ্রামের বাবুর সঙ্গে মোটরসাইকেল পাস দেয়া নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ঘটনা ঘটে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সন্ধায় ও রোববার সকালে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে দুই দফা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

এতে উভয় পক্ষের শতাধিক লোকজন আহত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের ৫টি বাড়ি ঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে দাঙ্গাবাজরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। এই ঘটনায় রোববার রাতে পুলিশ কালিকচ্চ ও নোয়াগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে উভয় পক্ষের ২৩ জন দাঙ্গাবাজকে আটক করে। পরে আটককৃতদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে হাজির করে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ২৩ জনকে সর্বোচ্চ তিন মাস ও সর্বনিম্ম ১৫ দিন করে সাজা দেয়া হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এমরান হোসেন ২৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইআর