মুক্তিযুদ্ধ কালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সৈয়দ মোঃ হাসান আলীর বিরুদ্ধে তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। সোমবারের মধ্যেই এ প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের কাছে জমা দেওয়া হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। হত্যা, গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুট, আটক ও নির্যাতনের ৬টি অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। এতে২৪ জনকে হত্যা, ১২ জনকে অপহরণ ও আটক এবং ১২৫টি ঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ রয়েছে।
রোববার সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কার্যালয় রাজধানীর ধানমণ্ডির সেফহোমে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক এম এহান্নান খান ও সিনিয়র সমন্বয়ক সানাউল হক ও এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাহরি দেবনাথ আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় কিশোরগঞ্জের তাড়াইল থানার রাজাকার কমান্ডার ছিলেন হাসানআলী। সে সময় তিনি তাড়াইল থানা এলাকায় ‘রাজাকারের দারোগা’ নামে পরিচিতছিলেন। তবে তিনি বর্তমানে কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে না থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাছিহাতা গ্রামে বসবাস করছেন। গত ৩ এপ্রিল হাসান আলীকে গ্রেফতার করতে আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছিলেন চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের ট্রাইব্যুনাল। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার পর গত ৩মাসেও তাকে গ্রেফতার করা যায়নি।
গত বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ওসি এ বিষয়ে একটি রিপোর্ট ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে জমা দিয়েছেন। তাতে বলা হয়েছে, আসামিকে এখন পর্যন্ত আটক করা যায়নি। বিভিন্নস্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। চেষ্টা এখনও অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১এপ্রিল হাসান আলীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন জানান প্রসিকিউশন। ৩ এপ্রিল আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মোখলেছুর রহমানবাদল ও আবুল কালাম আযাদ।
ঢাকা,কেএ ২৯ জুন(টাইমনিউজবিডি.কম)





