মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুর এলাকা থেকে ৮ ডাকাত সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ পুলিশ তাদের আটক করে।
আটককৃত ডাকাত হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল থানাধীন বেড়াখাল গ্রামের আব্দুর রহামানের ছেলে ইউছুফ (২২), আব্দুর নুরের ছেলে মোঃ আব্দুল কাইয়ুম ফারুক(২০), মৃত আব্দুল হাফেজের ছেলে কামরুল(২১), হারিছপুর গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে আমির হোসেন (২৫), বেড়াখাল গ্রামের মৃত মহরম আলীর ছেলে শুক্কুর (২৫), ঘড়িয়া বেড়াখাল গ্রামের ফিরুজ আলীর ছেলে আব্দুছ ছালাম রেজ্জাক(২৫), আব্দা হুজা গ্রামের মৃত আব্দুর রব এর ছেলে আব্দুল মতিন (৩৫), এবং বেড়াখাল গ্রামের মৃত আব্দুল হাফেজের ছেলে মোঃ এমরান (২২)।
মৌলভীবাজার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) কে এম নজরুল ইসলাম জানান- আন্তঃবিভাগীয় ডাকাত চক্রের একটি বৃহৎদল মৌলভীবাজার শহর এলাকায় ডাকাতি করার লক্ষ্যে ১৪ মে রাত অনুমান দেড়টায় শেরপুর সমমেত হইয়াছে মর্মে সংবাদ আসে।
মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার মোঃ শাহজালাল এর দিক নির্দেশনায় ও এ.এস.পি সদর সার্কেল এর তত্বাবধানে এবং মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অকিল উদ্দিন এর নের্তৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্দ) কে.এম নজরুল, এসআই আমিনুল ইসলাম, এসআই মোঃ সিরাজুল ইসলাম, এসআই শহিদুল ইসলাম, এসআই আব্দুল মালেক ও এসআই আবু সাঈদ সহ মডেল থানার একটি চৌকস দল তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে শেরপুর-মৌলভীবাজার সড়কের রুহিন মিয়ার পরিত্যক্ত পেট্রোল পাম্পে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করে।
এ সময় ডাকাতদল পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন ডাকাতদের গণপিটুনি দিয়ে আহত করে।
আহত ডাকাতদের মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল থানায় একাধিক ডাকাতি মামলাসহ সিলেট বিভাগের বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে।
তিনি আরোও জানান, মৌলভীবাজার মডেল থানায় পৃথক পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পলাতক ডাকাত সদস্যদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এমআইএস





