আনন্দ শিপইয়ার্ডের প্রায় এক হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের (বিডিবিএল) জিএমসহ আট কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের প্রধান কার্যালয়ে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে।

দুদকের জ্যেষ্ঠ উপপরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বাধীন একটি টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। পর্যায়ক্রমে এ জিজ্ঞাসাবাদ দুপুর পর্যন্ত চলবে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে।

যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তারা হলেন বিডিবিএলর প্রিন্সিপাল ব্রাঞ্চের জিএম নুরুর রহমান কাদরী, ফরিদপুর শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার (এসপিও) মো. ইউনুস আলী, প্রিন্সিপাল ব্রাঞ্চের এসপিও মো. ইমামুর রশিদ, মতিঝল ব্রাঞ্চের এসপিও দীনেশ চন্দ্র শাহা, হেড অফিসের এজিএম (এসএমই ডিপার্টমেন্ট) ইঞ্জিনিয়ার এস এম সিরাজুল ইসলাম, হেড অফিসের প্রাক্তন এসপিও (ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংকিং ডিপার্টমেন্ট) মো. নজরুল ইসলাম, আগ্রাবাদ ব্রাঞ্চের ডিজিএম তপন কুমার রায় ও ব্যাংকের প্রাক্তন কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কনসালটেন্ট মাহে আলম।

আনন্দ শিপেইয়ার্ডের বিরুদ্ধে জাহাজ রফতানির নামে প্রায় এক হাজার ৩০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আমলে নিয়ে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

অভিযোগের বিষয়ে জানা যায়, জাহাজ রফতানির নামে ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে আনন্দ শিপইয়ার্ড দেশের ১২টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় এক হাজার ৩০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। জাহাজ নির্মাণের পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও পর্যাপ্ত জামানত ছাড়া এসব ঋণ দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শনে এসব জাল-জালিয়াতির তথ্য বেরিয়ে আসে।

ইআর