হাতিরঝিলে পোশাক ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিজিএমইএর বহুতল ভবন ৯০ দিনে ভাঙার বিষয়ে করা পুনর্বিবেচনার আবেদন (রিভিউ) খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এর ফলে বিজিএমইএ ভবন ভাঙতেই হবে।
আজ রোববার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। একইসঙ্গে ভাঙার প্রক্রিয়া নির্ধারণে আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে আবেদনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রিভিউ আবেদনের শুনানির জন্য ২ মার্চ দিন ধার্য করেছিলেন আপিল বিভাগ। এর আগে ১৬ তলাবিশিষ্ট বিজিএমইএ ভবন অবিলম্বে সংগঠনের নিজ খরচায় ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দিয়ে সর্বোচ্চ আদালত রায় দেন।
২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ৮ ডিসেম্বর আবেদন করেন বিজিএমইএর সভাপতি। ওই আবেদনে আপিলের রায় স্থগিতের পাশাপাশি বিজিএমইএ ভবন অন্যত্র স্থানান্তরের জন্য তিন বছরের সময় চাওয়া হয়।
২০১১ সালের ৩ এপ্রিল হাইকোর্ট বিজিএমইএ ভবন ভাঙ্গার নির্দেশ দিয়ে রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে ওই ভবনটিকে ‘হাতিরঝিল প্রকল্পে একটি ক্যানসারের মতো’উল্লেখ করে রায় প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ। এই লিভ টু আপিল খারিজ করে ২০১৬ সালের ২ জুন রায় ঘোষণা করেন আপিল বিভাগ।
প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়, ‘বেগুনবাড়ি খাল’ও ‘হাতিরঝিল’জলাভূমিতে অবস্থিত ‘বিজিএমইএ কমপ্লেক্স’নামের ভবনটি নিজ খরচে অবিলম্বে ভাঙতে আবেদনকারীকে (বিজিএমইএ) নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে।
এতে ব্যর্থ হলে রায়ের কপি হাতে পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে ভবনটি ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হলো। এক্ষেত্রে ভবন ভাঙ্গার খরচ আবেদনকারীর (বিজিএমইএ) কাছ থেকে আদায় করবে তারা। এই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করে বিজিএমইএ।
এমবি





