নতুন জঙ্গী সংগঠন বাংলাদেশ জিহাদী গ্রুপের প্রশিক্ষক হিসেবে বিভিন্ন বাহিনীর কিছু অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতা এসেছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপির) যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) মনিরুল ইসলাম।

বাংলাদেশ জিহাদী গ্রুপের দুই সদস্যকে বুধবার গ্রেফতারের ব্যাপারে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, ওই গ্রুপের কমান্ডার মো. আসাদুজ্জামান ওরফে মিলু ওরফে মিলন এবং অর্থদাতা ফিরোজ মো. তমাল। বুধবার বিকাল ৫টার দিকে পূর্ব গ্রেফতারকৃতদের তথ্য অনুযায়ী মোহাম্মাদপুর এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতারে ডিবি দক্ষিণ বিভাগ।

এসময় তাদের কাছ থেকে ৩টি বিদেশি পিস্তল, ১৫টি রাউন্ড গুলি, ১ কেজি বিস্ফোরক এবং ২টি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।

মনিরুল ইসলাম বলেন, জঙ্গী সংগঠন বাংলাদেশ জিহাদী গ্রুপের প্রশিক্ষক হিসেবে বিভিন্ন বাহিনীর কিছু অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতা এসেছে তাদেরকে আমরা এখনো চিহ্নিত করতে পারিনি। চিহ্নিত করে যাচাই বাচাই করে গ্রেফতারের আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন, এরা মূলত প্রশিক্ষণের জায়গা হিসেবে পদ্মা নদীর ওপার এবং উত্তর বঙ্গের কিছু অঞ্চলকে বেছে নিয়েছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আফগানস্থান এবং সিরিয়ায় পাঠিয়ে দক্ষ করে পরবর্তিতে সেই অনুযায়ী বাংলাদেশেও খিলাফাত কায়েম করা তাদের উদ্দেশ্য ছিলো।

মনিরুল ইসলাম আরো বলেন, এদের মূলত অর্থদাতা হিসেবে ছিলেন ফিরোজ মো. তমাল। তার বাবার ঢাকাতে বাড়ি ফ্লাট রয়েছে প্রায় ১৭টি। এবং উদ্ধারকৃত পিস্তল তিনটিও তার অর্থায়নে কেনা। এই গ্রুপের কমান্ডার আসাদুজ্জামান ওরফে মিলন দারুল ইহসান বিশ্যবিদ্যালয় থেকে এলএলবি সম্পন্ন করে অ্যাডভোকেটের সহকারি হিসেবে কাজ করতো।

ওই চেম্বার থেকে হরকাতুল জিহাদের নেতা আব্দুর রউফের মামলা সেই দেখতো এবং পরে আব্দুর রউফের সাথে সে ওই গ্রুপের সম্পৃক্ততায় আসে। গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে এবং মোহাম্মাদপুর থানায় তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দ্বায়ের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এমআর/ এআর