আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেটে বসে একটি চক্রের সদস্যরা নিজেই তৈরি করছে বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার অবিকল ভুয়া সার্টিফিকেট ও ড্রাইভিং লাইসেন্স।

এর মাধ্যমে চক্রটি হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকাও। কিন্তু আসল অপরাধীদের অনেকেই ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। তবে এমন একটি চক্রের তিনজন সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৪ সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার (০৭ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মিরপুরের দক্ষিণ পাইকপাড়াস্থ র‌্যাব-৪ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তুলে ধরেন অধিনায়ক (সিও) খন্দকার লুৎফুল কবীর।

আটককরা হলেন- মো. আনোয়ারুল হক ওরফে শিমুল (৩৮), আব্দুল কাইয়ুম (৪৫) ও মো. সোহেল (২৬)। চক্রের আরেক সদস্য রিপন মিয়া বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

বুধবার (০৬ এপ্রিল) রাতে তাদের রাজধানীর ভাষানটেক, কাফরুল ও নিউমার্কেট থানাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় বলে জানান তিনি।

এসময় তাদের কাছ থেকে তিন শতাধিক ড্রাইভিং লাইসেন্সের কাগজপত্র ও মেশিন, জাল সার্টিফিকেট, কম্পিউটার, লেমেনেটিং মেশিন, ল্যাপটপ, প্রিন্টার, ট্যাব, সাপ্লাই মেশিন, স্ক্যানার, বিভিন্ন ব্যাংকের চেক, হলফনামা জব্দ করা হয়।

অধিনায়ক (সিও) খন্দকার লুৎফুল কবীর বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে আটককরা জানায়, তারা বিভিন্ন মার্কেট ও বাসা বাড়িতে বসে অবিকল প্রত্যেকটি পরীক্ষার জাল সার্টিফিকেট তৈরি ও ভুয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে। একটি চক্র যোগসাজশ করে নিউমার্কেটের নীলক্ষেত এলাকার রাফিন প্লাজায় অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে জাল ডিজিটাল ড্রাইভিং লাইসেন্স ও বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার সার্টিফিকেট তৈরি করে আসছিল।

বিআরটিএ কর্তৃপক্ষের কেউ জড়িত কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত সেরকম কোনো তথ্য আমরা পাইনি। তবে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।