রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় ৩৪ লাখ টাকা চাঁদাবাজির মামলায় কোতোয়ালি থানার সাবেক এসআই নুরুল আমিনের (সাময়িক বরখাস্ত) দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার সাতদিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেন টিপু এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এ মামলায় নুরুল আমিন জামিনে ছিলেন। কিন্তু মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক কাজী গোলাম কবির তদন্তে চাঁদাবাজির ঘটনায় নুরুল মূল পরিকল্পনাকারী বলে প্রমাণ পেয়েছেন জানিয়ে তার জামিন বাতিল করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক নুরুলের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার নথি থেকে জানা গেছে, গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর জনৈক বিমল চন্দ্র আইচ তার মাইক্রোবাসের ডিজিটাল নম্বর প্লেট করার জন্য নওগাঁ থেকে ঢাকায় আসেন। এদিন নুরুল আমিনের পরিকল্পনায় মামলার অপর আসামি শামীম, বিমল ও তার গাড়ির ড্রাইভারকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাদের শামীম খানের বাসায় আটকে রেখে মারধর করে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দিলে খুন করা হবে বলে ভয় দেখানো হয়।

এক পর্যায়ে এসএ পরিবহনের মাধ্যমে ১৪ লাখ টাকা আনিয়ে তাদের দেন বিমল। এরপর দেড়শ টাকার স্ট্যাম্পে মাইক্রোবাসটির ২০ লাখ টাকা মূল্য ধরে সেটি তাদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে মর্মে জোর করে সই নিয়ে বিমল ও তার গাড়ির ড্রাইভারকে ৩১ ডিসেম্বর ছেড়ে দেয় আসামিরা। ওইদিন রাতে অপর এক পুলিশ বন্ধুর সহায়তায় গেন্ডারিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন বিমল।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, চাঁদাবাজির মূল পরিকল্পনাকারী নুরুল আমিন খান। তার এমন কর্মকাণ্ডে পুলিশ বাহিনীর সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে।

এমএম