গৃহবধূকে হত্যাকারী খুনিদের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন স্বজনরা। স্বজনরা সংবাদ সম্মেলনে দাবী করেন দাবীকৃত যৌতুকের টাকা পুরোপুরি পরিশোধ করতে না পারায় গৃহবধূ (মনীষা)কে হত্যা করে তার স্বামী তারেক ও পরিবারের লোকজন।

বুধবার দুপুরে ঢাকা রির্পোটাস ইউনিটির (ক্লাবে) স্বজনরা এই সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে গৃহবধূর বাবা হাজী মোস্তফা কামাল বলেন, আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেনি। তাকে তার স্বামী এস এম খালেকুজ্জামান তারেক হত্যা করেছে। আমার কাছে তার স্বামী যৌতুক হিসেবে প্রাইভেটকার দাবি করেছিল। আমি আমার সাধ্য মতন চেষ্টা করে (৪/৫/১৭) তাকে ২ লক্ষ টাকা দিয়েছিলাম। আর আমি বলে ছিলাম বাকি টাকা কিছুদিন পরে পরিশোধ করব। টাকা দেওয়ার সময় তারেককে অনুরোধ করে বলেছি বাবা তুমি আমার মেয়েকে আর নিযার্তন করিওনা। আমি তোমাকে যে ভাবে পারি প্রাইভেটকার কিনে দিবো বলে আশ্বস্ত করেছি তাকে।

তারেক (৫/৫/১৭ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের দিকে আমাকে মোবাইল ফোনে বলে, যে আমার মেয়ে ‘অসুস্থ ’ তাকে উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আমি হাসপাতালে গিয়ে দেখি আমার মেয়ে কথা বলছেনা। তার গলায় থুতনির নিচে দাগ। ডা: বলেন রুগিকে (মনিষা) যে কোন সরকারী হসপিটালে নিয়ে যেতে। আমি বলছি ঢাকা মেডিকেল এ নিতে। এসময় তারেকের লোক জন আমার কথা না শুনে! টঙ্গী হাসপাতালে জোর করে নিয়ে যায়। টঙ্গী হাসপাতালে চিকিৎসক আমার মেয়েকে মৃত ঘোষনা করে। চিকিৎসকের একথা শুনে তারেকও তার স্বজনরা হসপিটালে আমার মেয়ের লাশ রেখে পালিয়ে যায়।

হাজী মোস্তফা কামাল আরো বলেন, দাবিকৃত যৌতুকের (প্রাইভেটকার) সর্ম্পন টাকা না পাওয়াই ক্ষিপ্ত হয়ে গলা টিপে তারেক আমার মেয়েকে হত্যা করে বলে জানান।
সংবাদ সম্মেলনে মৃত গৃহবধূ মনিষার স্বজনরা বলেন, অবিলম্বে মনিষা হত্যার খুনি তারেকেসহ জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার জন্য প্রধানমন্ত্রী,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও পুলিশ প্রধানসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি বিশেষ ভাবে আহ্বান জানান।

টাইমুনিউজবিডি.নেট/ খাজা/মাহমুদ