ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশুশ্রম নিরসন প্রকল্পের বরাদ্দকৃত ৭০ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার দুদকের বিশেষ অনুসন্ধান শাখা থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ২০১১ সালে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশুশ্রম নিরসনের জন্য প্রকল্পটি হাতে নেয় সরকার। আগামী ২০১৬ সালে প্রকল্পটির কাজ শেষ হবার কথা ছিলো। এরপর ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশুদের বাধ্যতামূলক অব্যাহতি দেয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ানের ভাই সাহাবুদ্দিন, প্রতিমন্ত্রীর পিএস ইসহাক বাবু এবং প্রকল্প পরিচালক ম আ. কাশেম মাহমুদ ভুয়া এনজিও’র মাধ্যমে সরকারের বরাদ্দকৃত ৭০ কোটি টাকা লোপাট করেন। তাদের লোপাটের কারণে ইতোমধ্যে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শেষ হয়ে যায়।

অভিযোগ রয়েছে, ২০১১ সালে এনজিওগুলোর কাছ থেকে দরপত্র আহবান করা হয়। ৬১৯টি এনজিও আবেদন করে,এরমধ্যে ১০৬টি এনজিওকে নির্বাচন করেন সাবেক শ্রম ওকর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ানের ভাই সাহাবুদ্দিন, প্রতিমন্ত্রী পিএস ইসহাক বাবু এবং প্রকল্প পরিচালক ম আ.কাশেম মাহমুদ। এরমধ্যে ১৮টি এনজিওর নিবন্ধন নেই। এ এনজিওগুলোকে ঢাকা, খুলনা,চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের ১৪টি জেলায় ১ হাজার ৬৬৭টি কেন্দ্রের মাধ্যমে ৫০ হাজার শিশুকে ঝুঁকি পূর্ণ কাজ থেকে বিরত রাখার পাশাপাশি হাতে কলমে (পড়াশুনা করানো) জন্য ট্রেনিং দেয়ার কথা ছিল। যাতে আগামী ২০১৬ সালে এ শিশুরা বাধ্যতামূলক ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে মুক্তি পাবে।

এদিকে গত গত ১৪ মে শ্রম মন্ত্রণালয়ের এক সভায় জানানো হয় সরকারের নেয়া প্রকল্পটি জুন মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যাচ্ছে।

এ প্রকল্পের অর্থ লোপাটের বিষয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হবার পর দুদক বিষয়টি অনুসন্ধান করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার সিন্ধান্ত নিয়েছে।

ঢাকা, একে, ১৪ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ