ব্রিটিনিয়া ইউনিভার্সিটি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ ও জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)। গত ৫ জুন দুদক চেয়ারম্যানের দফতরে লিখিতভাবে এই অভিযোগ করেন ওই প্রতিষ্ঠানের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য রফিকুল ইসলাম।
অভিযোগে বলা হয়েছে, কুমিল্লায় অবস্থিত ব্রিটিনিয়া ইউনিভার্সিটি  ট্রাস্টের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হক, সচিব রনওক আফজাল, তার স্বামী রেজওয়ান আহমেদ, ট্রেজারার  মো. সিদ্দিকুর রহমান এবং চেয়ারম্যানের ভাই (ওই প্রতিষ্ঠানের কেউ নয়) শফিকুল হক জালিয়াতির মাধমে কোটি কোট টাকা লোপাট করছেন।
অভিযোগটি বিশেষ অনুসন্ধানের জন্য দুদকের চেয়ারম্যানকে অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের রেকর্ড শাখার কর্মকর্তারা।
রফিকুল ইসলামের গত ১১ মার্চ জাতীয়  নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার মহাপরিচালকের দফতরে অভিযোগ করেন। এর আগে তিনি  শিক্ষা মন্ত্রীর দফতরসহ বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ দায়ের করেন। ওইসব অভিযোগের নথিপত্রও দুদকে জমা দিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়, ওই প্রতিষ্ঠানের নামে শাহজালাল ইসলামি ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। কিন্তু বোর্ডের অনুমতি ছাড়াই চেয়ারম্যান,তার ভাই এবং সচিব মিলে আইএফআইসি ব্যাংকে পৃথক আরেকটি অ্যাকাউন্ট খোলেন। এই অ্যাকাউন্টে শিক্ষার্থীদের ভর্তির টাকাসহ বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত টাকা লেন-দেন করেন।
ব্রিটিনিয়া ইউনিভাসিটি  ট্রাস্টের ২০১১ সালের ২০ সেপ্টেম্বও জয়েন্ট স্টক থেকে নিবন্ধন  গ্রহণ করে। কিন্তু ওই চক্রটি  ব্রিটিনিয়া ইউনিভাসিটি  ট্রোস্টের জমি জাল দলিল তৈরি করে গত ২০১৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর জয়েন্ট স্টক থেকে পৃথক নিবন্ধনর আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন। এমনকি নতুন করে এই প্রতিষ্ঠানের ট্রাস্টি বোর্ডের ৮ সদস্যে নামের তালিকা দাখিল করেছেন।  
এছাড়া ২০১২ সালে মন্ত্রণালয় থেকে নিবন্ধন নেয়ার পর আজ পর্যন্ত কোনো অডিট হয় না।
[b]ঢাকা, একে, ৭ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ
[/b]