দেশের খ্যাতনামা আইনজ্ঞ ব্যারিষ্টার রফিকুল হক। তিনি সাবেক সৈরশাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের আমলে অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন।যিনি ব্যক্তি নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান।গত মেয়াদের মহাজোট সরকার যখন পরবর্তী অন্তবর্তী সরকারের ফর্মূলা খুঁজছেন তখন তিনি নিজেকে নিরপেক্ষ দাবি করেন। এসময় নিজে অন্তবর্তী সরকারের দায়িত্ব নিতে চেয়েছেন বলে গুজব উঠলে ব্যাপক আলোচিত হন ব্যারিষ্টার রফিকুল হক।
দেশের সংকটকালীন মুহূর্তে সকল সমলোচনা তুচ্ছ করে জাতির কল্যাণকে তিনি পরামর্শ দিয়ে থাকেন।একজন প্রতিযশা আইন বিজ্ঞানী হিসেবে তার রয়েছে বিস্তর দক্ষতা।দেশের সিনিয়র এই আইনজীবী এখনও প্রতিদিন সুপ্রিমকোর্টে এসে মামলা পরিচালনা করেন।
দেশের খ্যাতনামা এই আইনজীবী পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন ঢাকায়।তিনি ঈদের নামাজ আদায় করবেন কেন্দ্রীয় মসজিদ বায়তুল মোকারম মসজিদে।বয়স হয়েছে তাই এখন আর গ্রামে বাড়ি গাজীপুরের চন্দ্রায় যাওয়া হয় না।
তিনি জানান,ওখানে তার প্রতিষ্ঠিত স্কুল ও কলেজসহ অনেক সামাজিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন সুপ্রিম কোর্টের সকলের পরিচিত মুখ।তিনিও ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন ঢাকায়।দলীয় ও ব্যক্তিগত কাজ থাকার কারণে তিনি গ্রামে ঈদ করতে পারছেন না।বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি।সরকার বিরোধী আন্দোলনের কারণে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন প্রেক্ষাপটে কারাবরন করেছেন।তাছাড়া সাবেক বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা তিনি।
মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল হতে বিএনপি নেতা সাকা চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়া হয়। এ রায়ের প্রতিক্রিয়ায় খন্দকার মাহবুব হোসেন মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকে প্রহসনের বিচার বলে মন্তব্য করেন। জাতীয়তাবাদী শক্তি ক্ষমতায় আসলে এ বিচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিচার করা হবে বলেও মন্তব্য করে ব্যাপক সমালোচিত হন তিনি।
সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে তিনি মানবতাবিরোধী মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের (আপিল)মামলাসহ গুরুত্বপূর্ণ মামলা পরিচালনা করছেন।
প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আলী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের একজন সফল আইনজীবী।তিনি পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করবেন ঢাকায়।যিনি কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলা পরিচালনা করেছেন।ট্রাইব্যুনালর রায়ে কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন সাজা হয়।পরে আপিল বিভাগের রায়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
এছাড়া কিছুদিন আগে তিনি জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামীর মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলা পরিচালানা শেষ করেন।প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের সাথে অন্তদ্বন্ধের কারণে তিনি সর্বত্র সমালোচিত হয়েছেন।
অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ মিডিয়াতে একজন পরিচিত আইনজীবী।তিনি আসন্ন ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন গ্রামের বাড়ি জামালপুরে। মানবতাবিরোধী অপরাধের আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করে তিনি সকলের কাছে পরিচিত।তিনি জামায়াত নেতাদের মামলাগুলো শুরু থেকে পরিচালনা করে আসছেন।তিনি কাদের মোল্লার একজন অন্যতম আইনজীবী ছিলেন।
সাঈদীর মামলা সম্পর্কে অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেছিলেন, যে প্রক্রিয়ায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে তা সঠিক হয়নি।প্রসিকিউশন অভিযোগ উত্থাপন করার পর ট্রাইব্যুনাল বিচার বিবেচনা করবেন- কোনটি রাখবেন,কোনটি রাখবেন না।কিন্তু আজ দেখা গেছে,ট্রাইব্যুনাল নিজেই উত্থাপিত অভিযোগ থেকে বাছাই করে অভিযোগ গঠন করেছেন।এই মামলায় উচ্চ আদালতে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই তবে,আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ করব।
তিনিআরও বলেছিলেন-যে মামলার তদন্ত হয়েছে দেড় বছর, সে মামলার জবাব দেয়ার জন্য অন্তত সে পরিমাণ সময় দেয়া দরকার।
তাজুল ইসলাম বলেছিলেন,‘এই মামলা কতদিন চলবে তা ট্রাইব্যুনাল বা সরকার বলতে পারে না।কিন্তু কোন কোন মহল থেকে বলা হচ্ছে- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের কাজ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে।যদি তাই হয় তাহলে এই বিচার যে একটি সাজানো নাটক,তা জাতির কাছে স্পষ্ট হয়ে যাবে।'
ঢাকা,কেএ,২৬, জুলাই, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ





