নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদিন (জেএমবি) রাষ্ট্রীয় বড় পদস্থ কাউকে হত্যার পরিকল্পনা করতে পারে।
ইনটেলিজেন্সের মাধ্যমে এ তথ্য আমরা জানতে পেরেছি। তবে আমরা এটাও জেনেছি যে বর্তমানে তাদের সে ধরণের কোনো সক্ষমতা নেই।
ডিএমপির গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম এ মন্তব্য করেছেন।
রাজধানীর মিন্টো রোডস্থ ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন আব্দুল্লাহপুর এলাকায় গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালিয়ে সোমবার রাতে জিহাদী বই, দেশীয় অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জামসহ ১১ জেএমবি সদস্যকে আটক করে।
আটককৃতরা হলেন- আরিফ ইবনে খায়ের ওরফে রিফাত, ওমর ফারুক, আলহাজ মিয়া, মো. বাবু মুন্সি ওরফে মাসুদ রানা, খোরশেদ আলম, হেলাল উদ্দিন, আব্দুল বাছেদ, আজাহার আলী, মো. সুজাত, ফরহাদ হোসেন ও মিজানুর রহমান।
মনিরুল ইসলাম বলেন, আটককৃতদের কাছ থেকে বিভিন্ন জিহাদী বই, ৩টি চাপাতি, একটি তালা কাটা মেশিন, ছুরি, হাসুয়াসহ বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অস্ত্র, দেড় কেজি সালফার ও ১০০ প্রাম পটাশ জাতীয় বিস্ফোরক পদার্থ ও ৭ টি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়।
জেএমবির সদস্যরা অর্থায়নের জন্য বিভিন্ন স্থানে হামলা, ডাকাতি, ব্যাংক ডাকাতি, ছিনতাইয়ের কাজ করছে। আমরা তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তবে জেএমবি ২০০৪-০৫ সালে যে ধরণের তৎপরতা শুরু করেছিল সে ধরণের ক্ষমতা এখন তাদের নেই।
ডিবির যুগ্ম কমিশনার বলেন, বাংলাদেশে গত ২/১বছর ধরে জেএমবি সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে পুলিশের গোয়েন্দা বাহিনীর তৎপরতা ও নজরদারির কারণে ২/১টি ঘটনা ছাড়া বড় কোনো ঘটনা ঘটাতে পারেনি তারা। আর দেশে আগের মতো তাদের সিরিজ হামলা চালানোর শক্তি নেই বলে জানান তিনি।
এসএইচ





