চট্টগ্রাম আদালত পাড়া থেকে থলেভর্তি ৫৭ লাখ ৯২ হাজার টাকা উদ্ধার এবং মানিলন্ডারিং আইনে পুালশের করা মামলাটি  তদন্ত করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার এ মামলাটি তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে হস্তান্ত করে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা। রোববার দিবাগত গভীর রাতে চট্টগ্রাম কোতোয়ালী থানার এসআই মো. কামরুজ্জামান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

এদিকে কোতোয়ালী থানার ওসি (তদন্ত) নেজাম উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, মামলার এজহারে টাকাসহ আটক ইলিয়াস এবং জেলা প্রশাসনের এলএ শাখার সার্ভেয়ার মুরাদকে আসামি করা হয়েছে।

মামলাটি  দুদকের সিডিউলভুক্ত হওয়ায় দুদকের কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন দুদক তদন্ত করে বিস্তারিত তথ্য উদঘাটন করবে।’

জানা যায়, গত ১৪ অক্টোবর সকালে জেএমবির নামে মোবাইল ফোনে চট্টগ্রাম আদালত ভবন বোমায় উড়িয়ে দেয়ার হুমকিতে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করে পুলিশ।

এসময় দুপুরে চট্টগ্রাম আদালতের অ্যানেক্স ভবনের সামনের সড়কে পুলিশের চেকপোস্টে থলেভর্তি টাকাসহ মো. ইলিয়াস নামে একজন আটক হন।

পর দিন ১৫ অক্টোবর তাকে ৫৪ ধারায়  গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৫দিনের রিমান্ড আবেদন জানান তদন্ত কর্মকর্তা  এসআই কামরুজ্জামান।

কিন্ত  ১৬ অক্টোবর রিমান্ড আবেদনের শুনানিতে আদালত সুনির্দিষ্ট মামলা দায়ের না করায় এবং ইলিয়াসের কাছ থেকে উদ্ধার করা মোবাইল জব্দ তালিকায় উল্লেখ না করায় ওসি কোতোয়ালী ও তদন্ত কর্মকর্তাকে শোকজ করেন।

একে