ইউনাইটেড এয়ার ওয়েজ (বিডি) লিমিটেডের মালিকরা আন্তর্জাতিক বাজারের ২০ বছরের পুরনো ৩টি এমডি -৮৩ উড়োজাহাজ ক্রয়ের মাধ্যমে ১ কোটি ডলারের বেশি বিদেশে পাচার করেছেন। একই সঙ্গে শেয়ার বাজার থেকে ৪১৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
অবশেষে ইউনাইটেড এয়ার ওয়েজ লিমিটেডের দুর্নীতি ও অর্থ পাচোরের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক। ইতোমধ্যে ১৮ কর্মকর্তাকে দুদকে তলব করা হয়েছে।
প্রসঙ্গ ২০১২ সালে একটি জাতীয় দৈনিক ইউনাইটেড এয়ার ওয়েজ লিমিটেডের দুর্নীতি ও অর্থ পাচোরের ঘটনায় অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
ওই প্রতিবেদনের অভিযোগ দুদক প্রাথমিকভাবে খোঁজ খবর নেয়ার পর অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। একই সঙ্গে উপ পরিচালক অনুসন্ধানী কর্মকর্তা মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীকে অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিলে দায়িত্ব দেয়া হয়।
জানা যায়, দুর্নীতি দমন কশিনের (দুদক) উপ পরিচালক অনুসন্ধানী কর্মকর্তা মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী ইতোমধ্যে ইউনাইটেড এয়ার ওয়েজ (বিডি) লিমিটেডের এমডি ক্যাপটেন তাছবিরুল আহমেদ চৌধুরীসহ ১৮ জনকে তলবি নোটিশ পাঠাচ্ছেন বলে জানা যায়।
এদিকে ইউনাইটেড এয়ার ওয়েজ (বিডি) লিমিটেডের এমডি ক্যাপটেন তাছবিরুল আহমেদ চৌধুরীকে ৮ ফ্রেব্রুয়ারি বেলা ১১ টায় দুদক কার্যালয়ে হাজির হবার জন্য নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
এছাড়া বাকী ১৭জনকে বিভিন্ন তারিখে দুদকে হাজির হতে নোটিশে বলা হয়েছে।
পরিচালক মাহতাবুর রহমান, পরিচালক শাহিনুর আলম, পরিচালক মাজহারুল হক, পরিচালক জাকির হোসেন, পরিচালক আহফাজ মিঞাকে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টায় দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে।
পরিচালক মো. শফিকুর রহমান, পরিচালক খন্দকার মামুন আলী, পরিচালক হাজী সানোয়ার মিয়া, পরিচালক আজিজুর রহমান, পরিচালক তরুন মিঞা, পরিচালক রাজা মিঞাকে ১৫ ফেব্রুয়ারি সকা্ল ১০ টায় দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে।
পরিচালক মিসেস খন্দকার ফেরদৌসি বেগম, পরিচালক মিসেস কন্দকার তাসলিমা চৌধুরী, পরিচালক সাঈদ চৌধুরী, পরিচালক খসরুজ্জামন, পরিচালক আবদুল কুদ্দুস কাজল, এজিএম তৌফিক আহমেদকে ১৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টায় দুদক কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ইউনাইটেড এয়ার ওয়েজ (বিডি) লিমিটেডের ওই ব্যাক্তিগণ আন্তর্জাতিক বাজারের ২০ বছরের পুরনো ৩টি এমডি -৮৩ উড়োজাহাজ ক্রয়ের মাধ্যমে ১ কোটি ডলারের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা বিদেশে এবং শেয়ার বাজারে কারসাজির মাধ্যমে ৪১৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
একে





