রাজধানীর শাহআলী থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) হুমায়ুন কবির হত্যা মামলায় তার স্ত্রী রুমিসহ দু’জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার ( ৩০ মে ) সকালে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক আব্দুর রহমান সরদার এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, হুমায়ুনের স্ত্রী রহিমা সুলতানা রুমি ও তার বান্ধবী মিষ্টি। অপরদিকে যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামি হলেন, মোছা. রিয়া। তাকে যাবজ্জীবনের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মামলার রায় ঘোষণার সময় হুমায়ুনের স্ত্রী রুমিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর পারিবারিক কলহের জের ধরে মিরপুরের বাসায় রুমি তার স্বামী হুমায়ুনকে ইনজেকশনে বিষ প্রয়োগ করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বজলুর রশিদ বাদি হয়ে মিরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ২০১৪ সালের ২০ জুলাই মিরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাইনুল ইসলাম হুমায়ুনের স্ত্রী রুমিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেন।
২০১৫ সালের ১৪ মে তাদের বিরুদ্ধে আদালত অভিযোগ গঠন করেন। এ মামলায় বিভিন্ন সময়ে সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে ৯ জনের। মামলার অপর দুই আসামি হলেন রুমির বান্ধবী মিষ্টি ও রিয়া। তারা পলাতক রয়েছেন।
আসামি রুমি ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার ভবানীপুরের স্থায়ী বাসিন্দা হুমায়ুনের সঙ্গে ২০০৮ সালে ভালুকার বাসিন্দা রহিমার বিয়ে হয়। দেড় বছরের সন্তান নিয়ে কাঁঠালতলার ওই বাসায় থাকতেন হুমায়ুন। ওই দম্পতির মধ্যে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কলহ ছিল।
এমই





