দুর্নীতি মামলায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেছেন তার আইনজীবী।
প্রাক্তন এ রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ বিমানের রাডার ক্রয় সংক্রান্ত দুদকের দুর্নীতি মামলায় বুধবার আদালতে তার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপনের সময় আইনজীবী এ দাবি করেন।
পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের জন্য আগামী ১৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা।
আদালতে এরশাদের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন তার আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, রাজনৈতিক ভাবে হয়রানির জন্য এরশাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।
এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন বিমানবাহিনীর প্রাক্তন সহকারী প্রধান মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, বিমানবাহিনীর প্রাক্তন প্রধান সুলতান মাহমুদ ও ইউনাইটেড ট্রেডার্সের পরিচালক এ কে এম মুসা। এর মধ্যে মুসা মামলার শুরু থেকে পলাতক আছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাছে বিমানবাহিনীর তৎকালীন সহকারী প্রধান মমতাজ উদ্দিন আহমেদ বাহিনীর জন্য যুগোপযোগী রাডার ক্রয়ের আবেদন করেন।
রাষ্ট্রপতির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় ফ্রান্সের থমসন সিএসএফ কোম্পানি নির্মিত অত্যাধুনিক একটি হাইপাওয়ার রাডার ও দুটি লো লেভেল রাডার ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়।
তৎকালীন সেনাপ্রধান এরশাদসহ অপর আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে আর্থিক সুবিধা নিয়ে থমসন সিএসএফ কোম্পানির রাডার না কিনে বেশি দামে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্টিং কোম্পানির রাডার কেনেন। এতে সরকারের ৬৪ কোটি ৪ লাখ ৪২ হাজার ৯১৮ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়।
এ অভিযোগের ভিত্তিতে ১৯৯২ সালের ৪ মে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো মামলা দায়ের করেন। ১৯৯৪ সালের ২৭ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এরপর ১৯৯৫ সালের ১২ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।
এমকে





