রাজধানীর গুলশান এবং কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় সন্ত্রাসী হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার নিম্ন আদালতকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে।

ঢাকার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের পরিদর্শক (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, আদালতে নিরাপত্তা আগের থেকে বাড়ানো হয়েছে। এরই মধ্যে নিরাপত্তার বিষয়ে যথেষ্ট সতর্ক রয়েছে পুলিশ। তবে কোনো বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি নিরাপত্তার বিষয়ে।

একই আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি আনোয়ারুল কবির বাবুল বলেন, আদালতের গেটে আগের তুলনায় পুলিশ বেশি বসানো হয়েছে। এ ছাড়া বিচারকদের প্রবেশ মুখে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে আরো নিরাপত্তা বাড়ানো হবে।

প্রবেশ পথে তল্লাশিচৌকি বসানো হলেও ঢাকার মহানগর দায়রা জজ, জেলা জজ, ঢাকার মুখ্য বিচারিক হাকিম আইনজীবী সমিতি, রেবুতী ম্যানশনসহ একাধিক আদালতে কোনো তল্লাশিচৌকি বসানো হয়নি। এসব আদালতের প্রবেশ পথে কোনো পুলিশ সদস্যও নেই।

এ বিষয়ে ঢাকা বারের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনজুর আলম বলেন, ‘ঢাকার আদালতে রীতিমতো বড় ধরনের মামলা পরিচালনা হয়। মহানগর দায়রা জজ আদালতে অনেক জঙ্গি ও চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার বিচারকাজ চলে। এসব আদালতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যাপ্ত না। এসব আদালতে কাউকে তল্লাশি করা হচ্ছে না। নিরাপত্তা অবিলম্বে বাড়াতে হবে। আদালতে যদি কখনো নাশকতা বা হামলা হয় তাহলে ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।’

আইনজীবী মুনজুর আরো জানান, আদালতপাড়ার সব এজলাসের প্রবেশ মুখে এবং আদালত ভবনে প্রবেশ করার সময় প্রত্যেক সন্দেহভাজনকে নিরাপত্তার সার্থে তল্লাশি করা প্রয়োজন। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আগেই এসব রোধ করতে হবে।

ঢাকা বারের সভাপতি সাইদুর রহমান মানিক বলেন, ‘কোতোয়ালি থানা পুলিশ আমাদের সিকিউরিটি দিতে চাচ্ছে। এ বিষয়ে তারা আমাদের কাছ থেকে অনুমতি চেয়েছে। আমরা তাদের সাথে এ বিষয়ে কথা বলব। আমরা নিজেদের খরচে বার ভবনে নিরাপত্তা ফটক (আর্চওয়ে) বসাব। বার ভবনে এখনো আমরা কোনো হুমকির আশঙ্কা করছি না।’

জেড