উপরের নির্দেশে 'দৈনিক আমার দেশের' ভারপ্রাপ্ত মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে 'নন সাবমিশন' মামলাটি করেছেন বলে আদালতে স্বীকার করেন মামলার বাদী ও দুদকের উপ-পরিচালক নুর মোহাম্মদ।

তিনি আদালতকে জানান মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে যথাযর্থ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করা হয়নি। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন র্দুনীতি দমন কমিশনে উপস্থাপন করা হয়নি। তড়িঘড়ি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

রোববার বকশি বাজার আলিয়া মাদ্রাসায় বিশেষ আদালতে 'মাহমুদুর রহমানের' বিরুদ্ধে সম্পদের বিবরনী দাখিল না, করার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার শুনানিকালে উপ-পরিচালক নুর মোহাম্মদ এ কথা স্বীকার করেন।

এদিকে আদালতের বাইরে মাহমুদুর রহমানের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফরহাদ হোসেন নিয়ন সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

অ্যাডভোকেট ফরহাদ হোসেন নিয়ন বলেন, সাক্ষ্য গ্রহণকালে আদালত দুদক কর্মকর্তা ও মামলার বাদীরে কাছে জানাতে চেয়েছেন ‘ কিসের ভিত্তিতে মামলা করেছেন ? এ প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট জবাব না দিয়ে চুপ করে থাকেন উপ পরিচালক নুর মোহাম্মদ।

রোববার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মামলার স্বাক্ষ্য গ্রহন চলে। আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারী পুনরায় স্বাক্ষ্য গ্রহনের ধার্য্য করেন আদালত।

মাহমুদুর রহমানের আইনজীবী আদালতকে বলেন, মাহমুদুর রহমানের জ্ঞাত আয়ের বর্হিভূত সম্পদের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ছাড়াই এ মামলা দায়ের করেছে দুদক। এ মামলায় দুদক আইনের ২০০৪ সালের ২৬  ধারাকে সম্পূর্ণ ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

মাহমুদুর রহমানকে দুদকের পাঠানো নোটিশ নিয়েও স্বচ্ছতার প্রশ্ন ওঠেছে। কারন ওই নোটিশে নিয়ম অনুযায়ী ডাক টিকিট কিংবা সময় প্রেরক, প্রাপকের কোন ঠিকানাও ছিলনা।

আদালতে শুনানীতে মাহমুদুর রহমানের পক্ষ্যে আংশ নেন অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান খান, অ্যাডভোকেট ফরহাদ হোসেন নিয়ন।
অপরদিকে দুদকের পক্ষে অংশ নেন অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন কাজল।

আদালতে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সাংবাদিকনেতা রুহুল আমীন গাজী, দৈনিক আমার দেশর নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, বার্তা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী, সিটি এডিটর এম আব্দুল্লাহ।

জানা যায়, গতকাল শনিবার বিকেলে কাশিমপুর হাই সিক্যুরিটি কারাগার থেকে মাহমুদুর রহমানকে ঢাকা  কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে আসা হয়।

একে