বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় চকবাজার থানায় দায়ের করা মামলা তদন্ত করবে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

মঙ্গলবার (০৮ অক্টোবর) আবরার হত্যার এই মামলা ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) মাসুদুর রহমান এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার গ্রেফতার হওয়া ১০ নেতাকর্মীসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে গতকাল (সোমবার) সন্ধ্যায় মামলা করেন ভিকটিমের বাবা বরকত উল্লাহ।

সোমবার ভোরে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরারকে (২১) বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা হলের সিঁড়িতে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাথে সম্পৃক্ততা সন্দেহে রোববার (০৬ অক্টোবর) রাতে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা তাকে মারধর করে।

ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে হত্যার ঘটনায় পুলিশ ছাত্রলীগের ১০ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে।  

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, সহ-সভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, সাহিত্য সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, উপ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, উপ-দপ্তর সম্পাদক মুজতবা রাফিদ এবং দুই সদস্য মুনতাসির আল জেমি ও এহতেসামুল রাব্বি তানিম।

হত্যার ঘটনায় মঙ্গলবার (০৮ অক্টোবর) তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। এর আগে সোমবার আবরার ফাহাদ হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে ছাত্রলীগ তাদের বুয়েট শাখার ১১ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করে। তথ্য সূত্র- ইউএনবি।

এমবি