ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মেঘনা নদীর তীরে দখল করে জেটি নির্মাণের বিষয়ে দায়ের করা রিটের নিষ্পত্তি করেছেন হাইকোর্ট। একই সাথে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য আমদানিকৃত ভারী উপকরণ খালাস করার পর নির্মাণকৃত জেটি ভেঙে অপসারণ করার নিশ্চয়তা দেয়ায় রিটটি নিষ্পত্তি করা হয়।
সোমবার বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি মোহাম্মদ হাবিবুল গণির সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোর্শেদ।
গত ১৩ ফেব্রুয়ারি হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান সিদ্দিকী ও এখলাস উদ্দিন ভূইয়া রিট আবেদনটি দায়ের করেন।
রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও হাবিবুল গণির  সমন্বয়ে  গঠিত বেঞ্চ নদী দখল করে জেটি নির্মাণ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। রুলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ এলাকার মেঘনা নদীর উপর থেকে সকল স্থাপনা ৭ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেয়া হয়।  
দুসপ্তাহের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যানসহ ১০ জনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়।
এছাড়াও ওই এলাকায় অবস্থিত মেঘনা নদীর উপরের সকল স্থাপনা ৭ দিনের মধ্যে সরিয়ে তার প্রতিবেদন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ডিসি, এসপি, আশুগঞ্জ থানার ওসি ও বিআইডব্লিউটি কর্তৃপক্ষকে জমা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী  কি-কি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে তার রিপোর্ট ৪ সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জমা দিতে বলা হয় রুলে।
উল্লেখ্য, আশুগঞ্জের স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ মেঘনা নদীর জায়গা দখল করে জয়েন্ট ভেঞ্চারের মাধ্যমে জেটি নির্মাণের খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে সংবাদের কাটিং সংযুক্ত করে রিটটি দায়ের করা হয়।  
[b]ঢাকা: কেএ ২১ এপ্রিল (টাইম নিউজ বিডি)//
[/b]