আইডিয়াল কো-অপারেটিভ লিমিটেডের (আইসিএল) চেয়ারম্যান ও এমডি এইচএনএম শফিকুর রহমান, তার স্ত্রী (পরিচালক) কাজী শামসুন নাহার মিনাসহ ২০ জনকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার দুদকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা উপ-পরিচালক হামিদুল হাসান এ তলবি নোটিশ পাঠান।

নোটিশে আগামী ৩ মার্চ সকাল ১০টায় আইসিএল'র এমডি শফিকুর রহমান, তার স্ত্রী কাজী শামসুন নাহার মিনা, তার পিতা পরিচালক কাজী শাহেদ রহমান শাহেদ এবং পরিচালক মো. ফকরুল ইসলাম ফকরুল দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে।

আগামী ৪ মার্চ সকাল ১০টায় পরিচালক কাজী নজরুল ইসলাম টিপু, পরিচালক জহিরুল ইসলাম সোহেল, পরিচালক সোহাগ ইসলাম সোহান, পরিচালক শিরিন আক্তারকে দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে।

আগামী ৫ মার্চ সকাল ১০ টায় পরিচালক আলহাজ্ব শেখ আহমেদ, পরিচালক আশরাফুল ইসলাম ইমরান, পরিচালক এটিএম মোরশেদ আলম, মেজর (অব) মো. শহিদুল্লাহকে দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে।

আগামী ১০ মার্চ সকাল ১০টায় শুভপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর কবির মজুমদার, কনকাপৈত ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইকবাল হোসেনকে হাজির হতে বলা হয়েছে।

আগামী ১১ মার্চ পরিচালক এইচ এম এম আশিকুর রহমান, পরিচালক আবুল হাসেম, পরিচালক মো. আমিনুর রহমানকে হাজির হতে বলা হয়েছে।

আগামী ১২ মার্চ সকাল ১০ টায়  পরিচালক কামাল আহমেদ, পরিচালক মো. সাইফুর রহমান, পরিচালক এম মোরশেদ জুয়েল এবং পরিচালক  নাজির হোসেনকে হাজির হতে বলা হয়েছে।

জানা যায়, প্রায় ৭০ হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদেরকে তলব করা হয়েছে।

এর আগে, গত ২৭ নভেম্বর দুদকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা উপ-পরিচালক হামিদুল হাসান  আইসিএল'র এমডি শফিকুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

জানা যায়, এর আগে আর অভিযোগের ওপর দুদক ২০১৩ সাল থেকে অনুসন্ধান করেন উপ-পরিচালক মোঃ নাসির উদ্দিন।

দুদকের এ কর্মকর্তা অনুসন্ধানকালে গত মার্চে শফিকুর রহমানকে একবার ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। কিন্তু দুদকের এ কর্মকর্তা কোনো প্রতিবেদন দাখিল না করায় নভেম্বর মাসের প্রথম দিকে উপ-পরিচালক মোঃ নাসির উদ্দিনকে এ বিষয়ে অনুসন্ধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে উপ-পরিচালক হামিদুল হাসানকে দায়িত্ব দেয়া হয়।

জানা যায়,  ১২ বছর ধরে আইসিএল গ্রুপের সহযোগী এ প্রতিষ্ঠান (সমবায় সমিতি) গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। ২০০১ থেকে ২০১২ অর্থবছর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির অডিট রিপোর্টে বেশকিছু আপত্তি ছিল। তাতে গ্রুপের চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল আলম, এমডি এইচএনএম শফিকুর রহমান এবং ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অবঃ) মোঃ শহিদুল্লাহসহ ৯ জন পরিচালককে দায়ী করা হয়। এমডি শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে এ চক্র ৭০ হাজার গ্রাহকের আমানত আত্মসাত করে।

একে/কেএইচ