সিলেটে যুবলীগের সমাবেশে হামলা চালিয়ে তা পণ্ড করে দিয়েছে ছাত্রলীগ। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে দু’দফা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৫ জন আহত হয়েছেন।

হামলাকারীরা সমাবেশের চেয়ার-টেবিলে অগ্নিসংযোগ ছাড়াও ১০/১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দু’টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছে। বুধবার রাত পৌনে ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত নগরীর শামিমাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার সন্ধ্যায় নগরীর শামীমাবাদ এলাকায় সমাবেশের আয়োজন করে স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের একাংশ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি।

রাত ৮টায় সমাবেশে অনুষ্ঠানের অতিথিরা যাওয়ার আগেই ছাত্রলীগের তেলিহাওর গ্রুপের সোহেল আহমদ ওরফে পাখি সোহেল ও শাহীর নেতৃত্বে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় তারা সমাবেশস্থলের চেয়ার-টেবিল ও ডায়াস ভাঙচুর করে। পরবর্তীতে যুবলীগ নেতা-কর্মীরা তাদের প্রতিহত করতে গেলে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা ৭/৮টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটনায়। এসময় তিন রাউন্ড গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, দ্বিতীয় দফা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার পর হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা সমাবেশস্থলের প্লাস্টিকের চেয়ার-টেবিল একটি ভ্যানে তুলে রাস্তায় নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। পুলিশের সামনে দুটি মোটর সাইকেল ভাংচুর করে হামলাকারীরা।

দু’দফা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া আরমান আহমদ, পলাশ, জাহেদ, জসিম, রানা নামের ৫ যুবক আহত হয়েছেন। তারা ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

সিলেট মহানগর পুলিশের কতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, যুবলীগ স্থানীয় নেতাদের বাদ দিয়ে সমাবেশের আয়োজন করে। যে কারণে ছাত্রলীগের একাংশ তাদের সমাবেশ করতে দেয়নি। তারা প্যান্ডেল ও চেয়ারটেবিল ভাঙচুর করেছে।

তবে দু’একটি পটকা ফোটালেও গুলি বর্ষণের ঘটনা অস্বীকার করেন তিনি।

এসএমএ