হাইকোর্টে আদালত অবমাননার অভিযোগের বিষয়ে জবাব দিলেন ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ।
বুধবার সকাল ১১টার দিকে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তিনি এ জবাব দেন।
ডিএমপি কমিশনার আদালতকে বলেন, ‘আমাদের তদারকির ফলে আজিমপুর কবরস্থানের সীমানা প্রাচীর ভাঙার কাজ শতকরা ৯০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া সেখানে সার্বক্ষণিকভাবে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এরপরও যদি আমাদের কাজে কোনো অবহেলা থেকে থাকে তাহলে আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’
এর আগে সকাল নয়টা ৫৫ মিনিটে ডিএমপি কমিশনার আদালতে এসে উপস্থিত হন। অন্য যে কর্মকর্তাদের তলব করা হয়েছিল তারাও আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
গত ১ সেপ্টেম্বর আজিমপুর কবরস্থানের সীমানা পুনর্নির্মাণে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে সহায়তা না করায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার বেনজীর আহমেদসহ তিনজনকে তলব করেন হাইকোর্ট। ১০ সেপ্টেম্বর তাদেরকে আদালতে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছিল।
অন্য যে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে হাজির হতে বলা হয়েছে তারা হলেন- লালবাগ জোনের উপ-কমিশনার ও লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
আজিমপুর কবরস্থানে জাকির হোসেন নামের এক ব্যক্তির বাবার কবর ও কবরস্থানের আগের সীমানা প্রাচীর ভেঙে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন রাস্তা তৈরি করেছিল। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জাকির হোসেন হাইকোর্টে রিট করেন। রিটের প্রেক্ষিতে আদালত আগের জায়গায় সীমনা পুনঃনির্মাণ করতে নির্দেশ দেন। কিন্তু আদালতের এ আদেশ না মানায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনতে আবেদন করা হয়। পরে আদালত সীমানা প্রাচীর পুনঃনির্মাণে প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল দিতে ডিএমপি কমিশনারকে নির্দেশ দেন। কিন্তু এ কাজে দক্ষিণ সিটি করপোরশনকে ডিএমপি কোনো সহযোগিতা করেনি।
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





