ওসি আব্দুর রশিদ জানান, মৃত সুমন একটি কোম্পানির ৫৩ লাখ টাকার চুরির মামলার আসামি ছিলেন। তার কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, শুক্রবার (১৯ আগস্ট) দিনগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে থানার ভেতরের ভেন্টিলেটরের রডের সঙ্গে সুমন নিজের ট্রাউজার খুলে গলায় পেছিয়ে আত্মহত্যা করেন। যা, থানার সিসিটিভি ফুটেছে দেখা গেছে। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে নিহতের এক আত্মীয় সোহেল আহমেদ জানান, আজ দুপুর সুমন শেখের মৃত্যুর বিষয়টি পরিবারকে জানানো হয়। খবর পেয়ে তারা থানায় এসে দেখেন পরনের ট্রাইজার দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছে লাশ।

সোহেল আহমেদ বলেন, রুমন শেখ অবশ্যই আত্মহত্যা করেছেন। সিসি টিভির ফুটেজে দেখা গেছে, তিনি নিজেই আত্মহত্যা করছেন। থানায় বসে একজন আসামি আত্মহত্যা করলেন সেটা সিসিটিভি ফুটেজেও দেখা যাচ্ছে, এটা দুঃখজনক।