মুন্সিগঞ্জ জেলার সাত মুক্তিযোদ্ধাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ পাওয়া আলোচিত ৬ সচিবের বিষয়ে তাদেরকে এ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়সহ আরও ৬ কর্মকর্তাকে তলব করেছে দুদক।
বিষয়টি টাইমনিউজবিডিকে নিশ্চিত করেছে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপ-পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য।
তিনি বলেন, সোমবার দুপুর ১২ টা  থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত  দুদক প্রধান কার্যালয়ে ৩ মুক্তিযোদ্ধাকে দুদকের উপ পরিচালক ও অনুসন্ধানী কর্মকর্তা  মো. জুলফিকার আলী জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তারা হলেন, দেলোয়ার হোসেন,আবুল সরদার ও আবদুর রশিদ।                        গতকাল রোববার বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং থানা আহবায়ক (কমান্ডার) মাহবুব উল আলম বাহার , লৌহজং থানার মেদিনীমন্ডল ইউনিয়ন কমান্ডার মো. আলী আকবর, লৌহজং থানার যশলদিয়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মীর মোশারফ হোসেন এবং একই গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা  গাজী  মনিরুজ্জামানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুদকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা।
জনসংযোগ কর্মকর্তা বলেন, আগামী ২১ মে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের  উপ-সচিব নুর আলম,মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের উপ-পরিচালক সৈয়দ মাহবুব আহসান,মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের পরিচালক (উন্নয়ন) একে খায়রুল আলম, উপ-পরিচালক (প্রশাসন) মসিুদুল হক, অফিস সহকারী মেহনাজ এবং পরিচালক একেএম আলী আহমেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে।
জানা যায়, মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতায় ওই ৬ সচিব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ পেয়েছেন। সচিবরা এই সনদ ব্যবহার করে চাকুরির  মেয়াদ বাড়ানোর  চেষ্টা করেন।
এই ৬ সচিব হলেন- প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. খন্দকার শওকত  হোসেন, বিনিয়োগ বোর্ডেও চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব  মোল্লা ওয়াহেদুজ্জামান,  মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব  কেএইচ মাসুদ সিদ্দিকী, যুগ্ম সচিব আবুল কাসেম তালুকদার, স্বাস্থ্য সচিব নিয়াজ উদ্দিন মিয়া এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব এককেএম আমির  হোসেন।
[b]ঢাকা, একে, ১৯ মে (টাইমনিউজবিডি.কম)  // জেএ[/b]