প্রতারক ও জালিয়াত ওয়াহিদুর রহমানের প্রায় এক হাজার কোটি টাকার ভুয়া ঋণের নামে অর্থ পাচারের ঘটনায় বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ডিজিএম এটিএম আতাউর রহমানসহ তিন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার দুদকের উপ-পরিচালক মোঃ জুলফিকার আলীর অনুসন্ধানী টিম সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত তাদেরকে জিজ্ঞসাবাদ করেন। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের অপর দুই কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন এজিএম মনোয়ারা বেগম এবং প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম।

এর আগে, গত ২৬ নভেম্বর বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের বনানী কর্পোরেট ডিজিএম মোশাররফ হোসেন, এজিএম নার্গিস সুলতান, এজিএম দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মোঃ সানাউল্লাহ, সিরাজুল ইসলাম ও প্রিন্সিপাল অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলামসহ ছয় জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

জানা যায়,বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়,ওয়াহিদুর রহমান নামে-বেনামে এক হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। এর মধ্যে বেসিক ব্যাংক থেকে ৭৬৭ কোটি, ইসলামিক আইসিবি ব্যাংক থেকে ১০০ কোটি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে ১২৪ কোটি, সিটি ব্যাংক থেকে ৬ কোটি এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসি থেকে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা নিয়েছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পাঠানো একটি অভিযোগ দুদক অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। পরে গত ২৪ সেপ্টেম্বর দুদক তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধানী কমিটি গঠন করে।

গত ১৩ নভেম্বর মোট নয় কর্মকর্তাকে তলব করে কৃষি ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর চিঠি পাঠান দুদকের এই অনুসন্ধানী টিম।

একে/কেএইচ