হজ ও তাবলীগ জামাত নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় আগামী ১৫ জানুয়ারি আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকীর দায়ের করা মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট আতাউল হক বুধবার এ আদেশ দেন।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে টাঙ্গাইল সমিতির মতবিনিময় সভায় লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি কিন্তু হজ আর তাবলীগ জামাতের ঘোর বিরোধী। এ হজে যে কত ম্যানপাওয়ার নষ্ট হয়। হজের জন্য ২০ লাখ লোক আজ সৌদি আরব গিয়েছে। তাদের কোনো কাম নাই। তাদের কোনো প্রোডাকশন নাই। শুধু রিডাকশন করতেছে। শুধু খাচ্ছে আর দেশের টাকা নিয়ে ওখানে দিয়ে আসছে। এ্যাভারেজে যদি বাংলাদেশ থেকে এক লাখ লোক হজে যায়, প্রত্যেকের ৫ লাখ টাকা করে ৫০০ কোটি টাকা খরচ হয়।’

হজরত মুহম্মদ (স.) সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আব্দুল্লাহপুত্র মুহম্মদ চিন্তা করল এ জাজিরাতুল আরবের লোকেরা কীভাবে চলবে। তারাতো ছিল ডাকাত। তখন একটা ব্যবস্থা করল যে, তার অনুসারীরা প্রতিবছর একবার একসঙ্গে মিলিত হবে এবং এর মধ্য দিয়ে একটা আয়ের ব্যবস্থা হবে।’

লতিফ সিদ্দিকী প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় সম্পর্কেও কটূক্তি করেন।

তার এ বক্তব্য বাংলাদেশের বিভিন্ন অনলাইন নিউজ মিডিয়া, টেলিভিশন চ্যানেল ও পত্র-পত্রিকায় প্রচারিত-প্রকাশিত হওয়ায় এবি সিদ্দিকী ২ অক্টোবর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে একটি মামলা করেন।

অবশ্য তার ওই বক্তব্যের পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় আরও বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে।

২৩ নভেম্বর রোববার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে ভারত থেকে দেশে ফেরেন লতিফ সিদ্দিকী। দেশে ফেরার পর পরই ধর্মভিত্তিক বিভিন্ন সংগঠন ও রাজনৈতিক দল তার গ্রেফতার দাবি করে।

২৬ নভেম্বর ধানমন্ডি থানায় আত্মসমর্পণ করার পর লতিফ সিদ্দিকীকে কারাগারে পাঠানো হয়।

কেএইচ