ট্রাইব্যুনালের-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম বলেছেন, দীর্ঘ প্রতিক্ষার কারনে এ রায় নিয়ে বিভিন্ন কথা উঠেছে। তা বিচারক হিসেবে আমলে নেয়ার সুযোগ নেই।
জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর রায় পড়ার আগে স্বগত বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
আমরা আইন, ঘটনা ও সংবিধানের সাথে আপোষ করি। অন্য কারো সাথে নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, আদালত টক'শো সহ কোন প্রচার মাধ্যেমে যেতে পারে না। আমাদের কেউ প্রশ্ন করলে আমরা কোন উত্তর দিতেও পারি না।
ট্রাইব্যুনালের-১ এর চেয়ারম্যানের স্বাগত বক্তব্য শেষ হলে রায় পড়া শুরু করেন ট্রাইব্যুনালের সদস্য বিচারপতি আনোয়ারুল হক।
এর আগে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বুধবার সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে নিজামীকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। এরপর তাকে ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায় রাখা হয়।
এদিকে, চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু, প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ, মোখলেজুর রহমান বাদলসহ রাষ্ট্রপক্ষের বেশ কয়েকজন আইনজীবী এবং নিজামীর আইনজীবী তাজুল ইসলাম, ফরিদ উদ্দিন আহমেদ খান, রেজাউল কবির, সাইফুর রহমানসহ আসামিপক্ষের ৮-১০জন আইনজীবী এমই মধ্যে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়েছেন।
নিজামীর স্বজনদের মধ্যে উপস্থিত আছেন তার ছেলে ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার দশম রায় এটি। আগের নয়টি মামলায় জামায়াতের সাবেক ও বর্তমান আটজন এবং বিএনপির দুই নেতাকে দণ্ডাদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল।
এর আগে গত ২৪ জুন অসুস্থতার কারণে নিজামীকে আদালতে হাজির না করায় রায় ঘোষণা করেনি ট্রাইব্যুনাল।
গত ২৪ মার্চ নিজামীর বিরুদ্ধে মামলার বিচার কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করে মামলাটি যে কোনো দিন রায় (সিএভি) ঘোষণার জন্য রাখে ট্রাইব্যুনাল। নিজামীর মামলাটি একমাত্র মামলা যেটি তিনবার রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখা হয়েছে।
কেএ/এএইচ





