মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া শামীমের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং দুদকে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে মামলা দায়ের করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার কমিশনের এক সভায় মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া শামীমের বিরুদ্ধে ২০০৪ সালের দুদক আইনের ২৬(২) ও ২৭ (১) ধারায় ‘নন সাবমিশন’ মামলা দায়েরের অনুমোদন দেয়া হয়।

কমিশনের এ অনুমোদনের ফলে আগামী সপ্তাহে দুদকের উপ-পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মীর মো: জয়নুল আবেদীন শিবলী রাজধানীর রমনা মডেল থানায় মামলা দায়ের করবেন বলে জানা যায়।

দুদকের উপ-পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

অভিযোগ রয়েছে; মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া শামীম মাত্র ১০ হাজার টাকা বেতনে মাহবুব গ্রুপ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। ২০১০ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি ২৫ দফায় নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার জমি কিনেছেন।

বর্তমানে মো: মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া শামীম সাড়ে ১০ কোটি টাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিক।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে; মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া শামীম হলমার্কের সঙ্গে ভূয়া এলসি’র ব্যবসা করে রাতারাতি ওই অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন। দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।

এদিকে দুদকের অনুসন্ধানী টিমের পক্ষ থেকে মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া শামীমের বিবরণী চেয়ে নোটিশ পাঠান। কিন্তু তিনি নির্দিষ্ট সময়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি। তবে তিনি সময়ের আবেদন জানান।

তার আবেদনের প্রেক্ষিতে সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার সময়ও বাড়ানো হয়। এরও তিনি সম্পদের বিবরণী দুদকে জমা দেননি।

যারফলে কমিশন বাধ্য হয়েছে তার বিরুদ্ধে ‘নন সাবমিশন’ মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিতে।

একে/কেএইচ