মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের তৃতীয় সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ।
বুধবার চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের প্রথম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।
সাক্ষী মোখলেছুর রহমান সরদার বলেন, আজহারের নির্দেশে তার বাবা মমতাজ আলী সরকারসহ গ্রামের ১৫ জনকে পাক হানাদার বাহিনীরা হত্যা করেছে।
সাক্ষী বলেন, আজহারের নির্দেশে পাক হানাদার বাহিনী রাতে তাদের বাড়ির চারপাশ ঘিরে ফেলে। এসময় তার বাবা আমাকে পালিয়ে যেতে বলেন।
তিনি বলেন, আমি ঝোপের মধ্যে লুকিয়ে থেকে দেখি আমার বাবা আজহারের পা জড়িয়ে ধরেছে, কিন্তু আজহার তাকে লাথি মেরে সরিয়ে দেয়।
সাক্ষী আরও বলেন, এরপর আজহারের নির্দেশেই পাক বাহিনী তাকে গুলি করে মেরে ফেলে। এরপর আরো ১৫ জনকে ধরে এনে আমাদের উঠানে সবাইকে গুলি করে হত্যা করে।
এই ১৫ জনের মধ্যে কুদ্দুস মুন্সি, জহির উদ্দিন, চিনি মাই, আম্মাই, জংগলি, ভরসা, বিষ্ণু, তবির উদ্দিন, আবু, কালকি মাই, ইউসুফ আলীকে মৃত অবস্থায় পরে থাকতে দেখি। এদের মধ্যে ইউসুফ আলী বট গাছে পালিয়ে ছিল।
তিনি বলেন, পাক বাহিনী চলে যাওয়ার পর সে তার বাড়িতে রেডিও আর জাল নিতে আসে। তখন পাক বাহিনী আবার ফিরে এসে তাকে গুলি করে হত্যা করে। আমি গ্রামের লোকজন নিয়ে তাদেরকে দাফন, কাফন না দিয়েই মাটি দিয়ে চাপা দিয়ে রাখি।
সাক্ষীকে জেরা করেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট একেএম সাইফুল ইসলাম।
সাক্ষ্য শেষে সাক্ষীকে জেরা করেন আসামীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুল ইসলাম।
জেরা অসমাপ্ত অবস্থায় মামলার কার্যক্রম আগামীকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মূলতবী করেন ট্রাইবুনাল।
মানবতাবিরোধী অপরাধ হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে আজহারের বিরুদ্ধে মামলা চলছে।
[b]ঢাকা, জিই // ৫ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
অপরাধ
আজহারের বিরুদ্ধে তৃতীয় সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ
মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের তৃতীয় সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ।





