নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের প্রধান আসামি নূর হোসেন বলেন-‘আমাকে কেনো নেতা ভারতে পাঠায়নি, আমি নিজেই এখানে এসেছি।’
১৪ দিন কারাবাস শেষে সোমবার আদালতে নেয়ার সময় তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে সোমবার ভারতীয় সময় দুপুর ১টা ১০মিনিটে নূর হোসেন এবং তার দুই সহযোগী সেলিম খান ও অহিদুর জামানকে আদালতে নেয়া হয়।
পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা দায়রা জজ আদালতে আজই (সোমবার) নূর হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট পেশ করতে পারে বাগুইআটি থানার পুলিশ।
প্রসঙ্গত, গত ১৪ জুন সন্ধ্যায় দুই সহযোগীসহ নূর হোসেনকে দমদম এয়ারপোর্টসংলগ্ন কৈখালির একটি বহুতল ভবনের চারতলার ফ্ল্যাট থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
বাগুইআটি থানা পুলিশ নূর হোসেনদের বিরুদ্ধে অবৈধ উপায়ে ভারতে প্রবেশের মামলা করে। পরে তাদের ৮ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। ৮ দিনের রিমান্ড শেষে ২৩ জুন তাদের আদালতে পাঠানো হয়।
এ সময় আদালতকে জানানো হয়, বাংলাদেশে সাত খুনের মামলাসহ একাধিক অপরাধে নূর হোসেন অভিযুক্ত। বাংলাদেশ সরকার তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড অ্যালার্ট জারি করে। এর পর নূর হোসেন অবৈধ উপায়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করে আত্মগোপন করতে কলকাতায় আশ্রয় নেয়।
নূর হোসেনকে বাংলাদেশে ফেরত দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে দুই দেশের গণমাধ্যমই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে খবর প্রকাশ করেছে।
নূর হোসেনকে বন্দি প্রত্যাবর্তন চুক্তি মোতাবেক দেশে ফেরত আনতে গেলে সবার আগে বাগুইআটি থানার পুলিশকে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা দায়রা জজ আদালতে চার্জশিট পেশ করতে হবে। আদালত চার্জ গঠন করলে শুনানি পর্ব শুরু হবে।
সেক্ষেত্রে অনুপ্রবেশের দায় স্বীকার করলে নূর হোসেনদের বিদেশ আইন অনুযায়ী সাজা হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে নূর হোসেনকে দেশে ফেরত দিতে গেলে ভারত সরকারকে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা দায়রা জজ আদালতের কাছে আবেদন করতে হবে। তখন আদালত দ্রুত ট্রায়াল শেষ করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিতে পারে।
ঢাকা. ৭ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ





