সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নামে মহাসমাবেশের ঘোষণা নিয়ে উৎকন্ঠা বাড়ছে উচ্চ আদালতে।
সোমবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে বার সভাপতি এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে সমাবেশের ঘোষণা দেয়ার পর এ উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়। আওয়ামী লীগের আইনজীবী নেতারা বলছেন, আদালত প্রাঙ্গণকে কোনভাবেই রাজনৈতিক মঞ্চ করতে দেয়া হবে না। এদিকে, সাবেক বার সভাপতি শফিক আহমেদ মনে করেন,রাজনৈতিক কর্মসূচির আদলে সুপ্রিম কোর্ট বারের এমন কর্মসূচি ঘোষণা প্রশ্নবিদ্ধ করতে বারের মর্যাদা।
সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি ড.কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত হয় সরকার বিরোধী জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।
জোট গঠনের দুদিন পরই সারাদেশের আইনজীবীদের সরকার বিরোধী মহাসমাবেশের ঘোষণা দিলেন সুপ্রিম কোর্ট বারের বিএনপি পন্থি আইনজীবীরা।
তারা বলছেন, গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সারাদেশের আইনজীবীদের সমন্বয়ে এ মহাসমাবেশ হবে।
বার সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, 'ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়েছে সে কারণে আমরা বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে স্বগত জানাচ্ছি। গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সারাদেশের আইনজীবীদের সমন্বয়ে এক মহাসমাবেশ গঠন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।'
সাধারণ আইনজীবীদের ধারণা সুপ্রিম কোর্ট বারকে ব্যবহার করে সরকারবিরোধী আন্দোলনের সূচনা করতে চায় ঐক্যফ্রন্ট। আওয়ামী লীগের আইনজীবী বলছেন,আইনাঙ্গনকে কোনভাবেই রাজনৈতিক কিংবা ঐক্যফ্রন্টের মঞ্চ হতে দিবেন না তারা।
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেযারম্যান অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ূন বলেন, 'সুপ্রিম কোর্টকে রাজনৈতিক মঞ্চ বানানোর চেষ্টা চলছে। তারা মহাসমাবেশ ডাকতেই পারে, এটা তাদের অধিকার। কিন্তু জনগণের ক্ষতি হয় এমন পরিস্থিতে আমরা বসে থাকবো না।'
সাবের বার সভাপতি শফিক আহমেদের মতে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আইনাঙ্গনকে ব্যবহার কোনভাবেই কাম্য নয়।
যদিও সুপ্রিম কোর্ট বারের উদ্দ্যোগে আইনজীবী মহাসমাবেশ কবে এবং কোথায় হবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন সমিতির বিএনপি সমর্থক নেতারা।এসএম





