খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা বড় পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার বিচারিক কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ ছয় মাস বাড়িয়েছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ৫ এপ্রিল বিচারপতি মো. মইনুল হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে খালেদার বড় পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার রুলের আদেশের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এর আগেই খালেদার আইনজীবীরা আদালত পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেছিলেন।

ফলে খালেদার মামলা শুনানির জন্য বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে নতুন বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি।

আজ হাইকোর্টের এই নতুন বেঞ্চ বড় পুকুরিয়া মামলার কার্যক্রমের ওপর মাসের স্থগিতাদেশ বৃদ্ধি করলেন।

সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা দায়ের করে।

শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম। পরে এ মামলা দায়েরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ হাইকোর্টে রিট করেন খালেদা জিয়া।

২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি ফরিদ আহাম্মদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মামলার কার্যক্রম তিন মাস স্থগিত করেন।

একই সঙ্গে মামলা দায়ের ও কার্যক্রম কেন অবৈধ ও বেআইনি হবে না জানতে চেয়ে সরকারকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়ে রুলও জারি করেন।

পরবর্তী সময়ে মামলার স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ানো হয়। এ মামলায় খালেদা জিয়া স্থায়ী জামিনে রয়েছেন।

এমকে