বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতে অভিযোগ গঠন বাতিলের আবেদন খারিজ করছে হাইকোর্ট। একই সংগে হাইকোর্ট বিচারিক আদালতে ২টি মামলার অভিযোগ গঠন বহাল রেখেছে ।
এর ফলে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা দু’টির বিচারিক কার্যক্রম চলবে।
বুধবার দুপুরের পর বিচারপতি বোরহান উদ্দিন ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ বিষয়ে আদেশ দেওয়া হয়।
আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, এজে মোহাম্মদ আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ সেলিম খান।
আদালতে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ,ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।
এর আগে ১৬, ১৭ ও ২০ এপ্রিল তিনদিন জিয়া অরফানেজ ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
গত ১৩ এপ্রিল হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মার্চ খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা এ মামলা দু’টিতে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার বিশেষ জজ-৩ বিচারক বাসুদেব রায়। এদিন খালেদা জিয়া আদালতে উপস্থিত থাকলেও বিচারক শুনানি ব্যতিরেকে তার খাস কামরা থেকে চার্জ গঠনের আদেশ দেন।
চার্জ গঠনের পর পরই এ আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। গত ১৩ এপ্রিল হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করেন খালেদা জিয়া। ২০ এপ্রিল শুনানি শেষে আদালত বুধবার রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পরে ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
অন্যদিকে, ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১১ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের দুর্নীতির মামলাটি করা হয়।পরে ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
দু’টি মামলারই বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক হারুনুর রশীদ।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী,তৎকালীন একান্ত সচিব ও বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ-এর নৌনিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। তবে হারিছ চৌধুরী এ মামলায় শুরু থেকেই পলাতক। অন্যরা সবাই জামিনে আছেন।
[b]ঢাকা,২৩ এপ্রিল (টাইম নিউজ বিডি)//কেএ[/b]
অপরাধ
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা চলবে
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতে অভিযোগ গঠন বাতিলের আবেদন খারিজ করছে হাইকোর্ট। একই সংগে হাইকোর্ট বিচারিক আদালতে ২টি মামলার অভিযোগ গঠন বহাল রেখেছে ।





