দুর্নীতির মামলায় সাজা পাওয়ার কারণে একাদশ নির্বাচন থেকে বঞ্চিত বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মশিউর রহমান ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য আব্দুল ওহাব।আর সাজা পাওয়ার কারণে এবারের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেতে না পারা বিএনপির পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে দু'জনই ঝিনাইদহের।

প্রায় ছয়কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় দশ বছরের সাজা পাওয়ায় নির্বাচনে যেতে পারছেন না মশিউর রহমান। নির্বাচনের আগে এমন রায়কে সরকারের প্রতিহিংসার ফসল হিসেবে দেখছেন মশিউর রহমানের ছেলে ও ঝিনাইদহ-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইব্রাহিম রহমান রুমি।

এ বিষয়ে ইব্রাহিম রহমান রুমি বলেন, এই মামলার রায় নিঃসন্দেহে বর্তমানে যে সরকার রয়েছে তাদের প্রতিহিংসার প্রতিফলন।

অন্যদিকে দুর্নীতির দায়ে ঝিনাইদহ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ওহাবকে আট বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এই রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত জানিয়েছেন ওহাব।

মামলার বিষয়ে ঝিনাইদহ-১ কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল ওহাব বলেন, 'এই মামলা পুরোপুরি রাজনৈতিক কারণে করা হয়েছে। এছাড়া এই মামলা করার নেপথ্যে একজন ব্যক্তি রয়েছেন বলেও সন্দেহ করছেন বিএনপির নেতা।

এদিকে দলের দুই নেতার নির্বাচনে অংশ নিতে পারার বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহের নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ঝিনাইদহ-১ আসনের মনোনীত প্রার্থী জয়ন্ত কুমার কুন্ডু বলেন, 'তারা যেন নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে না পারে সেই লক্ষ্যকে বাস্তবায়ন করতে এক শ্রেণির মানুষ এই কাজ করেছে।'

ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঝিনাইদহ-২ আসনের মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মজিদ, ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকা জাতীয় পর্যায়ের ব্যাপার। নির্বাচনের ভালো ও সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকলে নির্বাচন করার প্রশ্ন আসে কি করে।

ঝিনাইদহ-১ আসনে বিএনপি থেকে আব্দুল ওহাব ছাড়াও মনোনয়ন পেয়েছেন আসাদুজ্জামান আসাদ ও জয়ন্ত কুমার কুন্ডু। আর ঝিনাইদহ-২ আসনে দল থেকে মশিউর রহমান ও তার ছেলে ইব্রাহিম রহমান রুমিসহ চারজন মনোনয়ন পেয়েছেন।

এসএম