দায়িত্ব পালনের সময় নড়াইল ট্রাফিক পুলিশ ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) মো. মনিরুজ্জামানসহ চারজনকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তোফায়েল মাহমুদ তুফানের বিরুদ্ধে।
আজ রোববার রাতে সদর থানায় তুফানসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যানসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।
জানাজায়, ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন মোটরসাইকেলের চালককে ছেড়ে দিতে বললে সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তোফায়েল মাহমুদ তুফান। ট্রাফিক পুলিশ ইন্সপেক্টর মো. মনিরুজ্জামান তা না শোনায় তাকে পিটিয়ে আহত করে। আহত পুলিশ কর্মকর্তাকে নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এর আগে রোববার সন্ধ্যায় পুরনো বাস টার্মিনাল ট্রাফিক মোড় সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশসূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন ধরেই জেলার বিভিন্ন সড়কে তরুণদের বেপরোয়া গাড়ি চালানোর বিষয়ে ট্রাফিকসহ গোয়েন্দা শাখার পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
তারই অংশ হিসেবে রোববার সন্ধ্যায় নড়াইল পুরনো বাস টার্মিনাল ট্রাফিক মোড় সড়কে বেপরোয়া মোটরসাইকেলচালক এক তরুণকে ট্রাফিক পুলিশ আটক করে।
কাগজপত্রহীন গাড়িটি ছাড়ার জন্য উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তোফায়েল মাহমুদ তুফান ট্রাফিক পুলিশকে ফোন করেন।
পুলিশ মোটরসাইকেলটি তার কথায় না ছাড়ায় তিনি ক্ষিপ্ত হন। পরে তার নেতৃত্বে ৮-১০ জন সহযোগী ট্রাফিক পুলিশের ওপর হামলা চালায়।
এ ঘটনায় নড়াইল ট্রাফিক পুলিশ ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) মো. মনিরুজ্জামান, ট্রাফিক সার্জেন্ট শাহজালাল, টিএসআই সরোয়ার আলম এবং কনস্টেবল নজরুল আহত হন।
এদের মধ্যে মনিরুজ্জামান সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় রোববার রাতে সদর থানায় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তোফায়েল মাহমুদ তুফানসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়।
পুলিশ তোফায়েল মাহমুদ তুফানসহ তিনজনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।
এএস





