পানি উন্নয়ন বোর্ড, ডেসকো এবং ওয়াসাসহ সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের কথা উল্লেখ রয়েছে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। আর ওই কর্মকর্তাদের শেলটারে অবাধে দুর্নীতি ও লোপাট করছেন অধীনস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারিরা।
গত ৩০ নভেম্বর রোববার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)র উপ-পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলমের নেতৃত্বে গঠিত ৪ সদস্যেরপ্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি অনুসন্ধানে অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন একটি প্রতিবেদন জমা দেয়। ওই অনুসন্ধানী টিমের অপর সদস্যরা হলেন উপ-পরিচালক মাহবুবুল আলম, উপ-সহকারি পরিচালক ওমর ফারুক এবং তাজুল ইসলাম ভুইয়া।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আইনগত দুর্বলতা, নিজস্ব বিধি-বিধানে ত্রুটি, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস কার্যকর না হওয়ায় সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে অবাধে দুর্নীতি হচ্ছে। দুদকের পক্ষ থেকে আরো ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হলে প্রাতিষ্ঠানিক ভয়াবহ দুর্নীতির চিত্র বেরিয়ে আসবে এমন ঈঙ্গীত দেয়া হয়েছে।
জানা যায়,গত ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি অনুসন্ধান প্রক্রিয়ায় সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি অনুসন্ধানে টিম গঠন করা হয়। ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ,বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড-পাউবো, ঢাকা ওয়াসা, ঢাকা ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি-ডেসকো, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি:-ডিপিডিসি এবং পাওয়ার ডেভলপমেন্ট বোর্ড-পিডিবি’র দুর্নীতি অনুসন্ধানে লক্ষ্যে দুদক একই দিন সড়ক ও জনপথ, বিআরটিএ, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ, হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরশন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-রাজউকসহ দুর্নীতি প্রবণ প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি অনুসন্ধানে ১১টি টিম পুনর্গঠিত হয়। এসব টিম ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছে। তবে ওইসব তথ্য উপাত্ত যাচাই বাছাই শেষে মামলার সুপারিশসহ পুনাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করবে অনুসন্ধানী টিম।
একে





