ভূয়া বিআরটিএ’র কর্মকর্তা সেজে নকল ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি চক্রের চার জনকে আটক করেছে ডিএমপির গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ (ডিবি)। এদের মধ্যে একজন চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য ও একজন চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্য রয়েছেন।
রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সোমবার দুপুরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে ডিবির যুগ্ম-কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
আটককৃতরা হলেন, মো. সিরাজুল ইসলাম জিন্নাত, চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্য মো. বজলুর রহমান, চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য মো. সাইদুর রহমান শিমুল ও মো. আ. রাজ্জাক।
মনিরুল ইসলাম বলেন, আটকদের কাছ থেকে একটি এলজি মনিটর, একটি সিপিইউ, একটি কার্ড প্রিন্টার, ৭টি ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড, ৬টি নকল ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড, ২১টি অসম্পূর্ণ পিবিসি সাদা কার্ড, দুটি হলোগ্রাম রিবন গোল্ডেন, ৭টি সিলভার কালার ও দুটি কালো কালার উদ্ধার করা হয়।
মনিরুল ইসলাম আরও বলেন, তারা ভূয়া বিআরটিএ কর্মকর্তা সেজে নকল ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে বিভিন্ন লোকের কাছে সরবরাহ করত। ভূয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স ৭৫০ টাকা, নকল ফিটনেস সার্টিফিকেট ৫০০ টাকা, নকল ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট ৩৫০ টাকায় সরবরাহ করত তারা। এজন্য বিআরটিএ কার্যালয় এলাকায় তারা ঘোরাফেরা করত।
তিনি বলেন, তারা মূলত দালালের মাধ্যমে কাজ করে। ওই দালালরা মাঠে কাজ করে গ্রাহক খুজে আনে এবং নকল ড্রাইভিং লাইসেন্স সরবরাহ করে।
ডিবির যুগ্ম-কমিশনার বলেন, চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্য বজলুর রহমান ট্রাফিক বিভাগে কাজ করত। এ জন্য তার ড্রাইভিং লাইসেন্স সম্পর্কে ভাল ধারণা ছিল। সে ২০ বছর আগে চাকরিচ্যুত হন। চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য সাইদুর রহমান শিমুল মেশিন টুলস ফ্যাক্টরিতে কাজ করত। এ জন্য স্মার্ট কার্ড সম্পর্কে তার ভাল ধারণা ছিল। তাকে ৪ বছর আগে সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত করা হয়।
ডিবির ডিসি মো. সাজ্জাদুর রহমানের নির্দেশনায় এডিসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সিনিয়র এসি যায়েদ শাহরীয়ারের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।
এমআর/এআই





