প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানে ত্রু টির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সব আসামির জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ (সোমবার) মামলার ১১ আসামির মধ্যে ১০ আসামির জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। অপর আসামি ইতোপূর্বেই উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন।
এ দিন আসামিদের মধ্যে বিল্লাল হোসেনের জামিন মঞ্জুর করেন ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম কায়সারুল ইসলাম।
পরের ৯ আসামির জামিন মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর হাকিম সুব্রত ঘোষ শুভ। আর শেষের আসামি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেন।
এছাড়া এ দিন ঢাকা মহানগর হাকিম আহসান হাবীব মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি (এফআরটি) দেখে তাতে স্বাক্ষর করেন এবং মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য মামলার নথি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন।
এর আগে চলতি মাসের ৭ ডিসেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) পরিদর্শক মাহবুবুল আলম আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ মামলার প্রতিবেদন দাখিল করেন।
প্রতিবেদনে বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩) ধারা ও দ্লবিধির ১১৮ ও ১২০(খ) ধারা থেকে সব আসামিকে অব্যাহতি দেন। একইসঙ্গে তিন আসামির বিরুদ্ধে দ্লবিধির ২৮৭ ধারায় প্রসিকিউশন দাখিলের আবেদন করেন।
আদালত সূত্র জানায়, গত বছরের ২৭ নভেম্বর হাঙ্গেরি যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজে (বোয়িং-৭৭৭) যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়।
এ কারণে তুর্কমেনিস্থানে জরুরি অবতরণ করে বিমানটি। প্রধানমন্ত্রীর বিমানে যান্ত্রিক ত্রু টির ওই ঘটনায় গত বছরের ২০ ডিসেম্বর রাতে সংস্থার পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট) উইং কমান্ডার (অব.) এমএম আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।
জামিন পাওয়া আসামিরা হলেন- প্রধান প্রকৌশলী এমসিসি (ভারপ্রাপ্ত) বিল্লাল হোসেন, জুনিয়ার টেকনিশিয়ান মো. সিদ্দিকুর রহমান, প্রকৌশলী কর্মকর্তা এসএম রোকনুজ্জামান, সামীউল হক, মো. লুত্ফর রহমান, মিলনচন্দ্র বিশ্বাস, মো. জাকির হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী কর্মকর্তা প্রডাকশন (ভারপ্রাপ্ত) দেবেশ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী পরিদর্শন ও মান নিশ্চিতকরণ (ভারপ্রাপ্ত) এসএম সিদ্দিক, জুনিয়র টেকনিশিয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং মো. শাহ আলম ও ইঞ্জিনিয়ার অফিসার মো. নাজমুল।
এএস





