রোববার (১৬ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সোমবার (১৭ অক্টোবর) সকালে র্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি মো. ফজলুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এএসপি মো. ফজলুল হক বলেন, গ্রেফতার মোশাররফ বিশ্বজিৎ হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলেও তিনি পলাতক থাকেন।
পরবর্তী সময়ে ২০১৭ সালে হাইকোর্ট এ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোশাররফ হোসেন ওরফে আব্দুল্লাহর (৩৪) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় বহাল রাখেন। হাইকোর্টে রায় ঘোষণার সময়ও মোশাররফ পলাতক ছিলেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি স্বীকার করে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান র্যাবের এই কর্মকর্তা।
প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর বিশ্বজিৎ দাসকে ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কের কাছে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ২১ আসামির মধ্যে ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
আসামিরা ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আটটি আপিল ও সাতটি জেল আপিল করেন। এসব আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি একসঙ্গে নিয়ে ২০১৭ সালের ৬ আগস্ট রায় দেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় ঘোষণা করেন।
হাইকোর্টের রায়ে দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল, ১৫ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং চারজনকে খালাস দেওয়া হয়।
এন





