গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী কবির আহমেদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা সনদ জালিয়াতির অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। শিগগিরই এ বিষয়ে অনুসন্ধানী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে বলে জানা যায়।
আজ সোমবার দুদকের বিশেষ অনুসন্ধানী বিভাগে পাঠানো এক চিঠিতে কমিশনের সিদ্ধান্তের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। তবে তার বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা সনদ জালিয়াতির অভিযোগ দুদকের আসার পর দুদক বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রকৌশলী কবির আহমেদ ভুয়ার গ্রামের বাড়ি বিবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানা এলাকায়।
জানা যায়, ১৯৭৮ সালে তিনি চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি সিভিল ইঞ্জিনিয়ার পাস করেন। ১৯৭৯ সালে গণপূর্ত অধিদপ্তরে চাকরিতে যোগ দান করেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রিয় কমান্ড কাউন্সিলিও কর্মকর্তার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগে পৃথক অনুসন্ধান করছে দুদক।
মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গত ২৭ আগষ্ট তিনি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী থেকে প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। এর আগে গত বছর অক্টোবরে গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সিনিয়র ৬ জন কর্মকর্তাকে ডিঙ্গিয়ে ৭ম অবস্থানে থাকা কবির আহমেদ ভূঁইয়াকে প্রধান প্রকৌশলী পদে পদোন্নতির সুপারিশ করে এসএসবিতে পাঠায়।
দুদক তার বিরুদ্ধে বেপরোয়া দুর্নীতি লুটপাটের অভিযোগে দুদকের কয়েক দফা চিঠিঃ নামে-বেনামে শতাধিক কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের গত বছর ২৩ আগষ্ট চিঠি পাঠায়।
একইভাবে তথ্য ও রেকর্ডপত্র চেয়ে দুদকের উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী গত ৭ ও ৮মে দুটি চিঠি পাঠিয়েছেন অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী কবির আহমেদ ভুয়া সম্পর্কে তথ্য উপাত্ত চেয়ে।
একে





