নারায়ণগঞ্জের বহুল আলোচিত ৭ খুনের মামলায় র্যাব-১১ এর আরও ১ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ বাহিনী থেকে আগত কনস্টেবল সিহাবউদ্দিনকে শুক্রবার রাতে গ্রেফতার করে।
নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কে এম মহিউদ্দিনের আদালতে শনিবার বিকালে তাকে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করা হলে আদালত ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক হাবিবুর রহমান রিমান্ডে নেয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ নিয়ে ৭ খুনের ঘটনায় র্যাবের ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জে র্যাবের অপর ৩ সদস্যর পৃথকভাবে জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট চাঁদনী রূপমের আদালতে র্যাবের হাবিলদার এমদাদুল হক, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মনোয়ারা বেগমের আদালতে সিপাহী আবু তৈয়ব ও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কেএম মহিউদ্দিনের আদালতে ল্যান্স নায়েক হীরা মিয়ার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
মঙ্গলবার রাতে ৫ জনকে গেফতারের পর বুধবার সকালে ৫ জনকে ৮দিন করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এই ৫ জন হলেন র্যাব-১১ এর হাবিলদার এমদাদুল হক, আরিফ হোসেন, ল্যান্স নায়েক মো. হিরা মিয়া, বিল্লাল হোসেন এবং সিপাহী আবু তৈয়ব।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার ড. খন্দকার মহিদউদ্দিন এ ৫ জনকে গ্রেফতারের কথা বললেও র্যাবের সদর দপ্তর থেকে বলা হচ্ছে ৫ জনকে তারাই পুলিশের কাছে তুলে দিয়েছে।
এর আগে সেভেন মার্ডারের ঘটনায় ১৭ জুন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় র্যাব-১১ এর চাকরিচ্যুত অধিনায়ক ও অবসরে পাঠানো সেনাবাহিনীর লে. কর্নেল তারেক সাঈদ। এর আগে ৪ জুন র্যাব-১১ এর উপ-অধিনায়ক ও অবসরে পাঠানো মেজর আরিফ হোসেন ও ৫ জুন নৌ-বাহিনীর কমান্ডার এমএম রানা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে খুনের দায় স্বীকার করেন। আদালতের নির্দেশ মতো পুলিশ গত ১৬ মে রাতে র্যাবের চাকরিচ্যুত তারেক সাঈদ ও আরিফ হোসেন, ১৭ মে এমএম রানাকে গ্রেফতার করে। জবানবন্দিতে ৩ জনই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেন।
ঢাকা, ৩০ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, কেএইচ





