লেখক (মুক্তমনা) ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ রায় হত্যায় উদ্ধারকৃত আলামতগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য এফবিআইয়ের ল্যাবে (যুক্তরাষ্ট্রে) পাঠাতে চলতি সপ্তাহেই আদালতের অনুমতির জন্য আবেদন করবে পুলিশ।
সোমবার দুপুর ১২টা ৪৫মিনিটে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের মুখপাত্র যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সফররত মার্কিন গোযেন্দা সংস্থার চার প্রতিনিধি দল এরই মধ্যে আলামতগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ল্যাবে পরীক্ষার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আমরাও চাই আলামতগুলো ভালোভাবে পরীক্ষা করা হোক। সেজন্য চলতি সপ্তাহেই আদালতে আবেদন করা হবে। আদালতের অনুমতি পেলে আলামতগুলো যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআইয়ের ল্যাবে পাঠানো হবে।’
যুগ্ম কমিশনার বলেন, ‘অভিজিৎ হত্যায় জড়িত সন্দেহে গ্রেফতারকৃত ফারাবীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী তার সহযোগীদের তালিকা করা হয়েছে। তার পাশাপাশি ফেসবুকে আরো যারা হত্যার হুমকি দিয়েছিল তাদেরও তালিকা করা হয়েছে। এখন তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে সবকিছু বলা যাচ্ছে না।’
তিনি বলেন, ‘ফারাবীর সঙ্গে যারা ফেসবুকে বন্ধুত্ব করেছিল তারা ফারাবীকে গুরু মানতো। তাদের অনিকের সাথেই ফারাবির সরাসরি সাক্ষাত হয়নি। তবে তাদের ব্যাপারে প্রফেশনাল বাক্য বিনিময় হতো। এতে জানা যায়, ফারাবীর ফেসবুক বন্ধুরা বেশির ভাগই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। তাদের ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখনো কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। তবে যেহেতু এটি একটি জটিল মামলা, তদন্ত করতে বেশ কিছুদিন সময় লাগবে। এফবিআই আমাদের সহযোগিতা করছে। আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি মামলার অগ্রগতি আসবে।’
অন্য আরএক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ফরাবি ছাড়া অন্য সংঠন যারা জড়িত আছে তদন্তের স্বার্থে তদের পরিচয় গোপন করা হয়েছে।
অপর প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, ফারাবি খুব চতুর তাই সে সব প্রশ্নের জবাব ধীরে ধীরে চিন্তা ভাবনা করেই দিচ্ছে। তাই সে সরাসরি হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আছে কিনা তা জানতে সময় লাগবে।
তিনি আরোও বলেন, ফারাবি যদি সরাসরি হত্যাকান্ডে জড়িত না থাকে তবে তার ফেসবুকের শীর্ষদের দ্বারা হত্যাকন্ডটি ঘটাতে পারে।
এআই/এমকে





