আগামী ৬ অক্টোবর মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। কিন্তু বসে নেই পশু ব্যবসায়ীরা। গরু নিয়ে গত রোববার রাজধানীর কমলাপুর পশুর হাটে আসতে শুরু করেছে কুরবানীর গরু। ব্যবসা ভাল হবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর কমলাপুর পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, কেউ গরুকে ইনজেকশন দিচ্ছে কেউবা ট্যাবলেট খাওয়াচ্ছেন। আবার কেউ ভূষি-খড় কুটো সঙ্গে ভাত মিশিয়ে গরুকে খাওয়াচ্ছেন।

তবে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, এটা মোটাতাজা করণের কোন বিষয় নয়। এটা গরুকে সুস্থ রাখার কৌশল।

হাটে গরু নিয়ে আসা ব্যবসায়ী রমজান আলী বলেন, গরুর দাম এবার ভাল হবে। গতবার দেড় লাখ টাকা লোকশান হলেও আল্লাহ রহমত করলে এবার লোকশান পুশিয়ে নিতে পারবো।

এই গরুকে লালন পালন করতে খরচ হয়েছে প্রতিদিন ২৭৫০ থেকে ৩৫০ টাকা। সব মিলিয়ে ২৪ মাসে একটা গরু পালতে গরুর দামসহ খরচ হয়েছে ১লাখ ৫০ হাজার টাকা। গরুর দাম হাঁকিয়েছে ১৩ লাখ টাকা। বাজারে এই গরুর দাম উঠেছে সাড়ে ৭ লাখ টাকা।

এভাবে ১৮টি গরু রয়েছে এই ব্যবসায়ীর। কমলাপুর বাজারে বড়জাতের গরুর সংখ্যা অনেক বেশি।

তিনি আরও বলেন, হাটে আনার আগে গরুর সঠিক ওজন দিয়েছি। ১২ মণের বেশি ওজন হয়েছে এ গরুটির।

খুলনার থেকে আসা ছানোয়ার মিয়া বলেন, গতবারের চেয়ে এবার গরু বেচ কেনা ভাল হবে। গতবারের লোকশান এবার তুলে নিতে পারবো।

এএম/এসএইচ