বেসরকারি বীমা প্রতিষ্ঠান ‘প্রগ্রেসিভ লাইফ ইনসুরেন্স কোম্পানীর ১৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
জানা যা্য়, দুদকের সমন্বিত ঢাকা জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে ‘প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করেছেন। আর ওইসব রেকর্ড পত্র এবং নানা অভিযোগ যাচাই বাছাই শেষে দুদকের বাছাই কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে কমিশন অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত দেয়।
জানা যায়, বীমা প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ৭টি খাতে ২২ কোটি ৩৪ লক্ষ ৩৬ হাজার ৮৪৮ টাকার আত্মসাত ও আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি ধরা পড়ে।
আবাসিক প্রকল্পে প্লট ক্রয়, চট্টগ্রাম ও সিলেটে জমি ক্রয়, গাড়ি কেনা, ইসলামী বীমা (তাকাফফুল) বীমার সার্ভিস বন্ধ করে দেয়ার মাধ্যমে এ অর্থ আত্মসাত করা হয়।
আর এ আত্মসাতের সঙ্গে প্রগেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ করিম, সাবেক সিনিয়র মহব্যবস্থাপক (অর্থ ও হিসাব শাখা) এনায়েত আলী খান, সিনিয়র মহাব্যবস্থাপক (সুজন বিমা বিভাগ) মোঃ মনিজুজ্জামান খান এবং সিনিয়র ব্যবস্থাপক (ইসলামী বীমা তাকাফুল বিভাগ) মোঃ রফিকুজ্জামান সরাসরি যুক্ত বলে অভিযোগ করা হয় নিরীক্ষা প্রতিবেদনে।
আরো অভিযোগ রয়েছে, পুরো আত্মসাতের সঙ্গে ওই লাইফ ইনসুরেন্স কোম্পানীর বোর্ড সদস্যসহ আরো ১৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তথ্য উপাত্ত রয়েছে দুদকে।
আর ওই ১৫ কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন, ডিএমডি ড. সাইয়েদ তানভির আহমেদ, সহকারি পরিচালক গোলাম রসুল, উপ-সহকারি ব্যবস্থাপনা পরিচালক পিপলু বিশ্বাস, বোর্ড সদস্য নাসির এ চৌধরী, বাবেল মিয়া, আবদুল মালিক, নাসির আলী শাহ, বেগম নাহিদ চৌধুরী, সাইয়েদ আবদুল মুকতাদির, জাকারিয়া আহাদ, গোলাম মোস্তফা আহমেদ, চৌধুরী ফারকানদহ শাহ, নাজিম তাজিক চৌধুরী, রথীন্দ্র কুমার চৌধুরী এবং ড. আমিনুল হক।
একে





