গাড়ি ছিনতাই চক্রের কিছু সদস্য বিভিন্ন এলাকায় চা শরবতের দোকান নিয়ে বসে সিএনজি চালককে কৌশলে চায়ের সাথে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে দিয়ে চালককে আক্রান্ত করে তারা সিএনজি ছিনতাই করে। ঈদকে সামনে রেখে তাদের বিশেষ পরিকল্পনা করে তারা।

রাজধানীর খিলক্ষেত নিকুঞ্জ এলাকায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) বিশেষ অভিযান চালিয়ে গাড়ি ছিনতাই চক্রের চার পেশাদার সিএনজি চোরকে গ্রেফতার করার ব্যাপারে বুধবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশরনার (ডিবি) মনিরুল ইসলাম।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, শহীদ শেখ ওরফে কানা শহীদ, সেলিম, ফরিদ শেখ এবং হাবিবুর রহমান ওরফে সাহেব হবি।

তাদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি বলেন, গাড়ি ছিনতাই চক্রের কিছু সদস্য বিভিন্ন এলাকায় চা শরবতের দোকান নিয়ে বসে। কোন সিএনজি চালক সেখানে চা বা শরবত খেতে এলে তারা কৌশলে তাতে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে দেয়।

পরে ওই চক্রেরই কিছু সদস্য সিএনজিটি ভাড়া করে। কিছুদুর যাওয়ার পর চালক নেশায় আক্রান্ত হলে চালককে ফেলে দিয়ে তারা সিএনজি নিয়ে চালে যায়।

জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি আরো বলেন, এদের আরো একটি পদ্ধতি হলো ছিনতাই চক্রেরে একজন সদস্য সাহেবের বেশ ধারণ করে এবং একজন সাহেবের জন্য সিএনজি ভাড়া করে।

কিছুদুর যাওয়ার সাহেববেশী যাত্রীটি কোন অজুহাতে সিএনজি থামাতে বলেএবং চালককে পেছনে ফেলে আশা লোকটিকে ডেকে আনতে বলে। সে তাকে ডাকতে গেলে সাহেববেশী যাত্রীটি সিএনজি নিয়ে চলে যায়।

মনিরুল ইসলাম বলেন, তারা সিএনজির গায়ে লেখা মালিকের নম্বারে মোবাইলের মাধ্যেমে যোগাযোগ করে ৫০ হাজার থেকে দেড় লক্ষ টাকা পযর্ন্ত বিকাশ নম্বরে পাঠিয়ে ‍দিতে বলে। পরে একটি নিদির্ষ্ট স্থান থেকে সিএনজি নিতে বলে।

গাড়ি বা সিএনজি ছিনতাই চক্রের অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এমআর/এসএইচ