আদালতের আদেশের পর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে মন্ত্রিসভা ও আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে। মঙ্গলবার  দুপুর তিনটায় ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতের হাজতখানা থেকে নিয়ে যাওয়া হয় কারাগারে।

এদিকে প্রিজনভ্যানে করে কারাগারে নেওয়ার সময় লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ঝাড়ু ও জুতা মিছিল করেছেন আইনজীবী ও সাধারণ মানুষ। আদালত থেকে কারাগার পর্যন্ত পুরো পথে তাকে ঝাড়ু ও জুতা দেখিয়ে এবং নাস্তিক মুরতাদ বলে স্লোগান দিয়ে লতিফ সিদ্দিকীর ফাঁসির দাবি জানান তারা।

এর আগে আত্মসমর্পণের পর লতিফ সিদ্দিকীকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার মামলায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন মহানগর হাকিম আতিকুর রহমানের আদালত।

 আদালতে শুনানির সময় লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে কোনো জামিনের আবেদন জানানো হয়নি। বেলা দেড়টার দিকে লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে নেওয়া হয়। এর পরপরই আদালতের এজলাসকক্ষের আসামির কাঠগড়ায় তোলা হয় তাকে। লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার একটি মামলার বাদী অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। একই বাদীর মামলাটিতে এর আগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। সোমবার একই হাকিম ওই গ্রেফতারি পরোয়ানা অনুসারে লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতারের তাগাদা দেন।

বেফাঁস বক্তব্য দিয়ে মন্ত্রিত্ব ও দলীয় পদ খোয়ানো বিতর্কিত এই রাজনীতিক মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় আত্মসমর্পণ করেন।

জেআই