একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামান কারা কর্তৃপক্ষের কাছে তার দুটি ইচ্ছা পূরণের দাবি করেছেন।

প্রথম ইচ্ছাটি হচ্ছে, ফাঁসির পর তার লাশ গোসল না করিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দ্বিতীয় ইচ্ছাটি হচ্ছে, শুক্রবারে যেন তাকে ফাঁসি দেওয়া হয়। তবে তার এ আবদার হয়তো পূরণ নাও হতে পারে।

বুধবার ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার আখেরুল ইসলাম কামারুজ্জামানের দুটি শেষ ইচ্ছের কথা জানান।

তিনি জানান, ‘বিচারপতিদের সর্বশেষ স্বাক্ষর করা নীল কপি কারাগারে আসা মাত্রই তা কামারুজ্জামানকে পড়ে শোনানো হয়েছে। তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা না চাইলে নিয়ম অনুযায়ী তা প্রথমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফাঁসির যে সময় বেঁধে দেবে সেই অনুযায়ী ফাঁসির রায় কার্যকর করা হবে। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভাবেই সময় ক্ষেপণ করবে না বলে আগেই জানিয়েছেন।’

এসএইচ